📌 নাইজেরিয়ার বর্নো রাজ্যের মাইডুগুরি থেকে দক্ষিণে পোর্ট হারকোর্ট যাত্রায় ২০১১ সালে হারিয়ে যাওয়া ফালমাতা মোহাম্মদসহ হাজারো লোকের পরিবার এখনও তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি। বোকো হরামের সংঘাতের কারণে ১৭ হাজার লোকেরও বেশি হারিয়ে গেছে বলে অনুমান করা হয়, যার মধ্যে বর্নো রাজ্যের ১০ হাজারও বেশি।
নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বর্নো রাজ্যের মাইডুগুরি শহর থেকে দক্ষিণে পোর্ট হারকোর্ট যাত্রায় ২০১১ সালে অজ্ঞাত গুণধনদের হাতে অপহৃত হয়ে গেলে ফালমাতা মোহাম্মদসহ হাজারো পরিবার এখনও তাদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য পায়নি। ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পরিবারগুলো আশা ও হতাশার মধ্যে জীবন যাপন করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে হারিয়ে যাওয়া**: ফালমাতা মোহাম্মদ ২০১১ সালে মাইডুগুরি থেকে পোর্ট হারকোর্ট যাত্রায় অপহৃত হন, তার পরিবার এখনও তার সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি।
- 📌 **বোকো হরামের সংঘাতের শিকার**: ২০০৯ সাল থেকে চলমান বোকো হরামের সংঘাতের কারণে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ১৭ হাজার লোকেরও বেশি হারিয়ে গেছে বলে অনুমান করা হয়, যার মধ্যে বর্নো রাজ্যের ১০ হাজারও বেশি।
- 📌 **অজ্ঞাত তথ্যবাহক**: ফালমাতার ভাই কাশিম মোহাম্মদ বাগা রোড মার্কেটে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি থেকে ফালমাতা বেঁচে থাকার খবর পেয়েছিলেন, কিন্তু সেই ব্যক্তি কোনো যোগাযোগের তথ্য ছেড়ে গিয়েছিলেন।
- 📌 **হারিয়ে যাওয়া পরিবারগুলো**: কাশিম মোহাম্মদের সংগঠন ‘ডিসপ্লেসড অ্যান্ড মিসিং পার্সন্স’ ফ্যামিলিজ ওয়েলবিঙ্গ’র রেকর্ড অনুযায়ী, বর্নো রাজ্যের মাত্র ১০ হাজার লোকের হারিয়ে যাওয়া রেকর্ড রয়েছে, কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।
- 📌 **হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তির পরিবার**: মুহাম্মদ আলহাজি বাশিরের ভাই আদাম মুহাম্মদ বাশির (বাকুরা) ২০১২ বা ২০১৩ সালে হারিয়ে গিয়েছিলেন, তার পরিবার এখনও তার সম্পর্কে কোনো তথ্য পায়নি।
- 📌 **রেড ক্রসের প্রচেষ্টা**: আন্তর্জাতিক লাল ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) ও নাইজেরিয়ান রেড ক্রস সোসাইটি হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের খোঁজার প্রচেষ্টায় সহায়তা করছে।
📰 বিস্তারিত
মাইডুগুরি শহরের বাগা রোড মার্কেটে বসবাসকারী কাশিম মোহাম্মদ (৩৯) বলেছেন, তার ছোট বোন ফালমাতা মোহাম্মদ ২০১১ সালে মাইডুগুরি থেকে দক্ষিণে পোর্ট হারকোর্ট যাত্রায় অপহৃত হন। কাশিমের মতে, তার মা ও ফালমাতাকে অজ্ঞাত গুণধনদের হাতে অপহৃত করা হয়েছিল। কাশিমের সংগঠন ‘ডিসপ্লেসড অ্যান্ড মিসিং পার্সন্স’ ফ্যামিলিজ ওয়েলবিঙ্গ’র সভাপতি হিসেবে তিনি বলেছেন, “আমি এখনও পর্যন্ত সেই ব্যক্তির সম্পর্কে কিছুই জানি না যিনি এই তথ্য দিয়েছিলেন।”
কাশিমের বাবা মোহাম্মদ কোলো মাইডুগুরির স্টেট স্পেশালিস্ট হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তিনি ৬০ বছর বয়সে উচ্চ রক্তচাপের কারণে মারা যান, কিন্তু তার মেয়ে ফালমাতার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে পারেননি। কাশিম বলেন, “আমাদের বাবা সর্বদা বলতেন, ‘যেখানে যেন তিনি থাকেন, আমি বিশ্বাস করি আমার মেয়ে বেঁচে আছে।’”
মুহাম্মদ আলহাজি বাশিরের ভাই আদাম মুহাম্মদ বাশির (বাকুরা) ২০১২ বা ২০১৩ সালে হারিয়ে গিয়েছিলেন। মুহাম্মদ (২৯) বলেছেন, তার ভাই তখন কসমেটিক্স বিক্রি করতেন এবং রামাত পলিটেকনিক থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তেন। তিনি বলেন, “বোকো হরামের সংঘাতের কারণে আমি আমার ভাইকে হারিয়েছি।” বাকুরার পরিবার বুলুমকুটুর রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে তার খোঁজ খবর দিয়েছিলেন, কিন্তু কেউ তাকে চিনতে পারেননি।
আন্তর্জাতিক লাল ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) ও নাইজেরিয়ান রেড ক্রস সোসাইটি হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের খোঁজার প্রচেষ্টায় সহায়তা করছে। তবে স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, বর্নো রাজ্যের মাত্র ১০ হাজার লোকের হারিয়ে যাওয়া রেকর্ড রয়েছে, কিন্তু প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।
"আমি এখনও পর্যন্ত সেই ব্যক্তির সম্পর্কে কিছুই জানি না যিনি এই তথ্য দিয়েছিলেন।"
"আমার বাবা সর্বদা বলতেন, ‘যেখানে যেন তিনি থাকেন, আমি বিশ্বাস করি আমার মেয়ে বেঁচে আছে।’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাইডুগুরি, বর্নো রাজ্য, নাইজেরিয়া; পোর্ট হারকোর্ট, নাইজেরিয়া; বাগা রোড মার্কেট, মাইডুগুরি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাশিম মোহাম্মদ, ফালমাতা মোহাম্মদ, মুহাম্মদ আলহাজি বাশির, আদাম মুহাম্মদ বাশির (বাকুরা), মোহাম্মদ কোলো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (ফালমাতা হারিয়ে যাওয়া), ১৭ হাজার (হারিয়ে যাওয়া লোকের অনুমান), ১০ হাজার (বর্নো রাজ্যের হারিয়ে যাওয়া লোকের রেকর্ড), ৬০ বছর (মোহাম্মদ কোলোর বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!