📌 হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯ জনের। তিব্বতেও তিনজন নিহত ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে ৬৫ জন মার্কিন ও ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক
হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯ জনের। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নেপাল পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গতকাল বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই বিপর্যয় ঘটে। এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯ জনের
- 📌 তিব্বতে মৃত্যু হয়েছে তিনজন ও নিখোঁজ রয়েছেন ৫৫৮ জন
- 📌 নিখোঁজদের মধ্যে ৬৫ জন মার্কিন ও ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক
- 📌 নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয় ও ১২৭ জন নেপালি
- 📌 মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, হিমবাহ ধসের কারণে আকস্মিক বন্যা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নেপাল পুলিশ জানায়, হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯ জনের। গতকাল বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই বিপর্যয় ঘটে। এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, তিব্বত অংশেও তিনজন নিহত ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উল্লেখযোগ্য অংশ বিদেশি পর্যটক। নেপাল জানিয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয়, ১২৭ জন নেপালি, ৬৫ জন মার্কিন ও ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া অনেক সেনা ও পুলিশ সদস্যও নিখোঁজ রয়েছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, হিমবাহ ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ থেকে আকস্মিক এই বন্যা হয়েছে। নদীগুলোতে ধ্বংসাবশেষ জমে যাওয়ায় আরও বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে আজ নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে নুয়াকোট জেলার বিদুর ও এর পার্শ্ববর্তী জনপদগুলো। চীনের গিরং স্থলবন্দরটি চীন ও নেপালের মধ্যে পর্যটক ও যানবাহন চলাচলের প্রধান সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র। গতকালের বিপর্যয়ে স্থলবন্দরটি বিধ্বস্ত হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, আজ তিব্বত অংশের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। আগের দিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সর্বাত্মক উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।
"হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯ জনের। তিব্বতেও তিনজন নিহত ও ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল ও তিব্বত
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বালেন্দ্র শাহ, লি কিয়াং, সি চিন পিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৩৫৯, নিখোঁজ ১ হাজার, তিব্বতের মৃত্যু ৩ ও নিখোঁজ ৫৫৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!