📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপাল ও তিব্বতে বিধ্বংসী বন্যায় মৃত্যু ১ হাজার ২৭৩, নিখোঁজ প্রায় সাড়ে চার হাজার

নেপাল ও তিব্বতে বিধ্বংসী বন্যায় মৃত্যু ১ হাজার ২৭৩, নিখোঁজ প্রায় সাড়ে চার হাজার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপাল ও তিব্বতে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ। উদ্ধার অভিযানে শত শত শ্রমিক এখনো সুড়ঙ্গে আটকা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেপাল ও তিব্বতে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় মৃত্যু ও নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৫২ জনের। অন্যদিকে তিব্বতে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনের। এছাড়া নেপালে ৪ হাজার ২১৬ জন এবং তিব্বতে ৫৪১ জনসহ মোট নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৫২ জনের, তিব্বতে ২১ জনের
  • 📌 নেপালে নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২১৬ জন, তিব্বতে ৫৪১ জন
  • 📌 দুই দেশ মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনের
  • 📌 শত শত শ্রমিক সুড়ঙ্গে আটকা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে
  • 📌 নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন

📰 বিস্তারিত

হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নেপাল ও তিব্বত। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৫২ জনের। তিব্বতে চীনা কর্তৃপক্ষ মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৭৩ জনের। এছাড়া নেপালে ৪ হাজার ২১৬ জন এবং তিব্বতে ৫৪১ জনসহ মোট নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন সীমান্তের কাছে কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে সুড়ঙ্গে শত শত শ্রমিক আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে দিনরাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। নেপালের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি রাসুয়া জেলায় একটি সুড়ঙ্গের প্রবেশপথে জমে থাকা বিশাল কাদার স্তূপ সরাতে দেখা যায় উদ্ধারকারীদের।

নেপালি সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা সঞ্জয় কেসি বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করছি, ভেতরে কেউ জীবিত থাকতে পারেন। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরের জায়গাটি বড়। আমাদের ধারণা, পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পানিতে তলিয়ে যায়নি।’

"আমরা এখনো আশা করছি, ভেতরে কেউ জীবিত থাকতে পারেন। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরের জায়গাটি বড়। আমাদের ধারণা, পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পানিতে তলিয়ে যায়নি।"

নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনেরা প্রতিদিন সকালে তাঁদের প্রিয়জনের কোনো খবর পাওয়ার আশায় উদ্ধারকেন্দ্রগুলোতে জড়ো হচ্ছেন। অনেকের জন্য এই অপেক্ষা হয়ে উঠেছে অসহনীয়। নিখোঁজ এক প্রকৌশলীর ছেলে প্রতীক রানা বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে আসি বাবাকে খুঁজে পাওয়ার আশায়। কিন্তু প্রতিদিন সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে মনে হয়, আমার আশাও ফিকে হয়ে যাচ্ছে। বাবা সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আমার কাছে তিনি ছিলেন জীবনের অত্যন্ত মূল্যবান অংশ।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল ও তিব্বত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, প্রকৌশলী প্রতীক রানা, কর্মকর্তা সঞ্জয় কেসি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ১ হাজার ২৭৩ জন, নিখোঁজ প্রায় সাড়ে চার হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖