📌 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ স্থগিত করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, বিশেষায়িত কারিগরি সহায়তার জন্য বিদেশিদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে। মৃতদেহ সংরক্ষণ ও সুড়ঙ্গ উদ্ধারে বিদেশি সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান তিনি
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল সরকার বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। রাসুয়া জেলার সরকারি কর্মকর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার রয়টার্সকে জানান, প্রবল বৃষ্টি ও কুয়াশার কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বিদেশি কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বৈরী আবহাওয়ার কারণে নেপাল সরকার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ স্থগিত করেছে
- 📌 পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, বিশেষায়িত কারিগরি সহায়তার জন্য বিদেশিদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে
- 📌 মৃতদেহ সংরক্ষণ ও সুড়ঙ্গ উদ্ধারে বিদেশি সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান তিনি
- 📌 নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুনর্গঠনে প্রায় ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে
📰 বিস্তারিত
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল সরকার বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। রাসুয়া জেলার সরকারি কর্মকর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার রয়টার্সকে জানান, প্রবল বৃষ্টি ও কুয়াশার কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বিদেশি কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, বিশেষায়িত কারিগরি সহায়তার জন্য বিদেশিদের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার, মৃতদেহ শনাক্ত করা, ডিএনএ পরীক্ষা এবং দীর্ঘ সময় মৃতদেহ সংরক্ষণের মতো কাজে বিদেশি সহায়তা প্রয়োজন। খানাল বলেন, ‘যেসব বিশেষায়িত সেবা ও কারিগরি সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের পর্যাপ্ত দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞান নেই, সেসব বিষয়ে আমরা ইতিমধ্যে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছি।’
এর আগে শুক্রবার নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, আপাতত কাঠমান্ডু নিজস্ব সক্ষমতায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে পারবে এবং বিদেশি সহায়তা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকারের এমন অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে খানাল বলেছিলেন, সাধারণ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজে সহায়তার প্রয়োজন নেই। কারণ এসব কাজ নেপালের উদ্ধারকারীরাই করছেন। তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে একই কাজ আবার করার প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি না।’
‘আরও মৃতদেহ উদ্ধারের আশঙ্কা রয়েছে। হাসপাতালগুলোতে মৃতদেহের চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে এবং মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত রেফ্রিজারেটরও নেই।’
নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিন কোটি জনসংখ্যার দেশ নেপালের এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে পুনর্গঠনে প্রায় ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। বুধবার একটি হিমবাহ ধসে হিমালয়ের পাহাড়ি নদী ব্যবস্থার ওপর দিয়ে পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল ঢল নেমে আসে। এতে নেপালে অন্তত ৬২৬ জন এবং চীনের তিব্বতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে নেপালে প্রায় ২ হাজার ৪২৬ জন এবং তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে অন্তত ৫৫৮ জন রয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাসুয়া জেলা, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশির খানাল (পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২৬ জন মৃত্যু, ৩ হাজার নিখোঁজ, ৪-৫ বিলিয়ন ডলার পুনর্গঠন ব্যয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!