📌 নেপালের হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট নতুন হ্রদের পানি বৃদ্ধির ফলে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ৪৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট নতুন হ্রদের পানি বৃদ্ধির ফলে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দুই দিন আগে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ইতোমধ্যে ৪৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের রসুয়া জেলায় নতুন হ্রদের পানি বৃদ্ধির ফলে পুনরায় বন্যার আশঙ্কা
- 📌 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে ৪৬৯ জনের, নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজারের বেশি
- 📌 নতুন হ্রদটি চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত, যার পানি ধারণ ক্ষমতা ১.৫ থেকে ২ মিলিয়ন ঘনমিটার
- 📌 চীন সরকার ৮ সদস্যের একটি প্রকৌশল দলকে হ্রদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য নিয়োজিত করেছে
📰 বিস্তারিত
বুধবার হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শুক্রবার নতুন হ্রদের পানি বৃদ্ধির ফলে পুনরায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রসুয়া জেলার স্থানীয় কর্মকর্তা নরেন্দ্র পাড়িয়ার মতে, "আমরা দেখতে পাচ্ছি নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।" তিনি আরও জানান, "আমরা জানি না এটি কতটা বড় এবং এর পানির স্তর কত উঁচু। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।"
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই বিপর্যয়ের ফলে দুটি নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। একটি হ্রদ হিমবাহের কাছাকাছি উচ্চভূমিতে অবস্থিত, যেখানে গলিত পানি আটকে রয়েছে। অন্যটি নেপালের একটি নদীতে অবস্থিত, যেখানে বিশাল ভূমিধসের ফলে নদীর প্রবাহ বন্ধ হয়ে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে।
চীন সরকার জানিয়েছে, তারা নেপালের হ্রদের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ৮ সদস্যের একটি প্রকৌশল দলকে নিয়োজিত করেছে। দলটির সদস্য চেন হানশিয়াও বলেন, "হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদের চারপাশে বিচ্ছিন্ন ও খাড়া পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে, যা পর্যবেক্ষণকে আরও কঠিন করে তুলেছে।"
"আমরা দেখতে পাচ্ছি নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।"
"আমরা জানি না এটি কতটা বড় এবং এর পানির স্তর কত উঁচু। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।"
"হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদের চারপাশে বিচ্ছিন্ন ও খাড়া পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের রসুয়া জেলা ও চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র পাড়িয়া, চেন হানশিয়াও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৪৬৯, নিখোঁজ ১ হাজার, হ্রদের ধারণ ক্ষমতা ১.৫ থেকে ২ মিলিয়ন ঘনমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!