📌 নেপালের শিশু হোম পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুধার্ত শিশুকে স্তন্যপান করিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি। নিজের সন্তানের মতো করে শিশুটিকে কোলে নিয়ে তিনি তার জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি শিশু হোমের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ক্ষুধার্ত এক শিশুকে স্তন্যপান করিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন দেশটির মহিলা, শিশু ও প্রবীণ নাগরিক বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ১৭ দিন বয়সী এক ক্ষুধার্ত শিশুকে কোলে নিয়ে তিনি নিজ স্তনপান করান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নেপালের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি শিশু হোম পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষুধার্ত শিশুকে স্তন্যপান করান
- 📌 ঘটনাটি ঘটে রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি শিশু হোমে, যেখানে বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুদের রাখা হয়
- 📌 শিশুটির বয়স ছিল মাত্র ১৭ দিন, যার কারণে সেখানে বিকল্প কোনো দুধ ছিল না
- 📌 মন্ত্রী নিজেও একসময় এ ধরনের হোমে থেকে লেখাপড়া করেছেন এবং ১২ বছর বয়স পর্যন্ত সেখানে ছিলেন
- 📌 তিনি হোমটির অব্যবস্থাপনা দেখে ক্ষুব্ধ হন এবং শিশুদের যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি শিশু হোমের চরম অব্যবস্থাপনা ও নোংরা পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি নিজেই এক বিরল মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। পরিদর্শনের সময় ক্ষুধার্ত এক শিশুকে তিনি নিজ স্তন্যপান করানোর মাধ্যমে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে ২০ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে। শিশু হোমটির অবস্থা ছিল অত্যন্ত করুণ। অধিকাংশ শিশুই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিল। ক্ষুধার জ্বালায় ১৭ দিন বয়সী এক শিশুকন্যা একটানা কাঁদতে থাকে। হোমে বিকল্প কোনো দুধ না থাকায় সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে আসেন মন্ত্রী সীতা বাদি। তিনি নোংরা বিছানাতেই বসে শিশুটিকে কোলে নিয়ে নিজ স্তনপান করান। মায়ের স্পর্শ পেয়ে শিশুটি শান্ত হয় এবং মন্ত্রীর কোলেই ঘুমিয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে আবেগাপ্লুত হয়ে মন্ত্রী জানান, শিশুটিকে কোলে নেওয়ার পর তার নিজের সন্তান বলেই মনে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে তিনিই ওই শিশুর মায়ের দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য, মন্ত্রী সীতা বাদি নিজেও একসময় এ ধরনের হোমে বড় হয়েছেন। তিনি ১২ বছর বয়স পর্যন্ত হোম থেকে লেখাপড়া করে আজ দেশটির মন্ত্রীর আসনে পৌঁছেছেন।
তিনি হোমে থাকা ১৫ দিন থেকে ২ বছর বয়সী অন্তত ২০টি শিশুর সার্বিক যত্ন নেওয়ার এবং হোমটি নতুন করে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পদমর্যাদা ভুলে একজন জনপ্রতিনিধির এমন বিরল মাতৃত্ববোধ ও মানবিকতার নজির বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হচ্ছে।
"শিশুটিকে কোলে নেওয়ার পর তার নিজের সন্তান বলেই মনে হয়েছে। এখন থেকে তিনিই ওর মায়ের দায়িত্ব পালন করবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাঠমান্ডু, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহিলা, শিশু ও প্রবীণ নাগরিক বিষয়ক মন্ত্রী সীতা বাদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ দিন, ১২ বছর, ২০টি শিশু, ২০ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!