📌 নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার ‘আগে-পরের দৃশ্য’ দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কোলাজ ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলে প্রমাণিত হয়েছে। এতে প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু ও ৪ হাজারের বেশি নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে
সম্প্রতি নেপালে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি কোলাজ ছবি নিয়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। দাবি করা হয়েছিল, ছবিটি বন্যার ‘আগে ও পরের’ দৃশ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কোলাজ ছবিটি নেপালের বন্যার ‘আগে-পরের দৃশ্য’ দাবিতে ভাইরাল হয়েছিল
- 📌 এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ‘হাইভ মডারেশন’-এর বিশ্লেষণে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৯৮ শতাংশ বলে প্রমাণিত
- 📌 নেপালে সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪ হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন
- 📌 প্রচারিত দাবির কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি
📰 বিস্তারিত
গত সপ্তাহে নেপালে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে। এই বিপর্যয়ের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কোলাজ ছবি শেয়ার করে দাবি করা হয়, এটি বন্যার ‘আগে ও পরের’ দৃশ্য। অধিকাংশ ব্যবহারকারী এই দাবিকে সত্য মনে করে সমবেদনা জানান। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি।
এআই কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ‘হাইভ মডারেশন’-এর বিশ্লেষণে ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৯৮ শতাংশ বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রচারিত দাবির কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে দাবির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, নেপাল-চীন সীমান্তের দুই পাশে এখনো ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। গত বুধবার বরফ, পাথর, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীগুলো দিয়ে নেমে এসে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর এই বিপর্যয় ঘটে।
“দুইটা ব্যাংক খোলেন। একটার নাম দেন ‘বিএনপি ব্যাংক’, আরেকটার নাম দেন ‘জামায়াত ব্যাংক’। এরপর এক মাস পর দুই ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। তারপর বুঝব, এই দেশের মানুষ কার কাছে তাদের আমানত রাখতে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯ শতাংশ, ৯৮ শতাংশ, ৯০০ জন, ৪ হাজার জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!