📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালে বিধ্বংসী হড়পা বান: প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার ছুটেছে কাদা-পাথরের স্রোত

নেপালে বিধ্বংসী হড়পা বান: প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার ছুটেছে কাদা-পাথরের স্রোত

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, নেপালের ভোটেকোশী নদীতে বিধ্বংসী হড়পা বানের কারণ তুষারধস। প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার গতিতে প্রবাহিত কাদা-পাথরের স্রোত ২০ কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত করেছে

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, নেপালের ভোটেকোশী নদীতে বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের কারণ ভূমিকম্প নয়, বরং তুষারধস। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণেও এই তথ্যের সত্যতা মিলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্প নয়, তুষারধসের কারণেই ভয়াবহ হড়পা বান এসেছিল নেপালের ভোটেকোশী নদীতে
  • 📌 হিমালয়ের অন্যতম পর্বতশৃঙ্গ ল্যাংট্যাং লিরুঙের কাছে অবস্থিত হিমবাহের একাংশ ভেঙে পড়ে ৫১২৭ মিটার উচ্চতায়
  • 📌 তুষার ও কাদা-পাথরের স্রোত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার (১৬৫ ফুট) গতিতে প্রবাহিত হয়েছে
  • 📌 প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত হয়েছে এই কাদা-পাথরের স্রোতে
  • 📌 লিন্দেখোলা নদীর মাধ্যমে তিব্বতের গিরং বন্দরের কাছে পৌঁছায় এই ধ্বংসাত্মক স্রোত

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, নেপালের ভোটেকোশী নদীতে বিধ্বংসী আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের কারণ ভূমিকম্প নয়, বরং তুষারধস। উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণেও এই তথ্যের সত্যতা মিলেছে। দেখা গেছে, হিমালয়ের অন্যতম পর্বতশৃঙ্গ ল্যাংট্যাং লিরুঙের নিকটবর্তী এলাকা থেকে হিমবাহের একাংশ ভেঙে পড়ে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইউএসজিএস জানায়, ৫১২৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হিমবাহের একাংশ ভেঙে পড়ার পর তা ঢালু পথে গড়িয়ে আসে। কয়েকশো মিটার উচ্চতা থেকে তুষার, কাদামাটি ও পাথর দুই পর্বতের মধ্যবর্তী সঙ্কীর্ণ উপত্যকায় এসে পড়ে। পরে পর্বতের ঢাল বরাবর ওই তুষার ও কাদা-পাথরের স্রোত প্রবাহিত হতে শুরু করে।

চীন সরকারের ভূতত্ত্ববিদ গুয়ো জাও চ্যাং জানান, তুষার ও কাদা-পাথরের স্রোত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার (১৬৫ ফুট) গতিতে প্রবাহিত হয়েছে। এই প্রবাহ প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত করে। স্থানীয়দের বুঝে উঠার আগেই দুর্যোগ নেমে আসে।

উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, পর্বতের ঢাল বেয়ে নেমে তুষার ও কাদা-পাথরের স্রোত লিন্দেখোলা নদীতে গিয়ে মেশে। এই নদী নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত। লিন্দেখোলার খাত ধরে এগিয়ে তিব্বতের গিরং বন্দরের কাছে পৌঁছে যায় এই ধ্বংসাত্মক স্রোত।

কাদা-পাথরের স্রোত নদীর দু’কূল ছাপিয়ে বাড়িঘর, রাস্তা, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জনবসতি ভাঙতে ভাঙতে এগিয়ে যায়। ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীর খাত বরাবর প্রায় ১০০ কিলোমিটার নীচে নেপাল-ভারত সীমান্তের কাছে পৌঁছায় এই স্রোত।

"হিমবাহটির একাংশ ভেঙে পড়ার পর প্রতি সেকেন্ডে ৫০ মিটার গতিতে প্রবাহিত হয়েছে তুষার ও কাদা-পাথরের স্রোত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপালের ভোটেকোশী নদী, ল্যাংট্যাং লিরুঙ পর্বতশৃঙ্গ এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ববিদ গুয়ো জাও চ্যাং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ মিটার/সেকেন্ড, ২০ কিলোমিটার বিধ্বস্ত এলাকা, ৫১২৭ মিটার উচ্চতা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖