📌 নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় চার শতাধিক ব্যক্তি, যাদের মধ্যে ভারতীয়সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকে এই বিপর্যয়ের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় চার শতাধিক ব্যক্তি। ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ জনের
- 📌 নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় চার শতাধিক ব্যক্তি
- 📌 নিখোঁজদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয়সহ ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন
- 📌 ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকে বিপর্যয়ের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
- 📌 নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন
📰 বিস্তারিত
বুধবার ভোরের দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানায়, এলাকায় ভ্রমণরত পর্যটক ও স্থানীয়দের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। পর্যটন বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজ ২৯১ জন বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় রয়েছেন—১০৫ জন ভারতীয়, ৩৭ জন প্রবাসী ভারতীয় (এনআরআই), ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ১২ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৩ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান, ১ জন ডাচ নাগরিক এবং আরও ১১১ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক, যাঁদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।
বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তীতে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি সংলগ্ন চীন অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে নেপালের ২৬ জন পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তাও নিখোঁজ রয়েছেন।
"প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তীতে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোতে কোশি নদী, নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল
- 🔢 মৃত্যু: অন্তত ২০ জন
- 🔢 নিখোঁজ: প্রায় চার শতাধিক ব্যক্তি
- 🔢 বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ভারতীয়: ১০৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!