📌 ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মতো ঘটনাগুলো সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। এমনকি আগামী তিন বছরের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন
- 📌 বিহারে নির্বাচন কমিশন প্রায় ১০ শতাংশ ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে
- 📌 এ বছরের নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে
- 📌 ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার হার প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হন
📰 বিস্তারিত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। এমনকি আগামী তিন বছরের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা।
এ বছরের নীট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যাদের লক্ষ্য ছিল ভারতের ৮২৩টি মেডিকেল কলেজে থাকা ১ লাখ ৩৭ হাজার আসনের মধ্যে ভর্তি হওয়া। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা দেখা দেয়। পরিস্থিতির মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে অন্তত ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমশ রাজনৈতিক রূপ ধারণ করে। ককরোচ জনতা পার্টি নামের একটি সংগঠনের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলনের ফলে সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ আরও বৃদ্ধি পায়।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিহারে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটারকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাও সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
"ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের ক্ষমতা ধরে রাখার সম্ভাবনা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মতো ঘটনাগুলো সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ১০ শতাংশ, ২০ লাখ, ৮২৩টি, ১ লাখ ৩৭ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!