📌 মালয়েশিয়া সরকার আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে অন্তত ১ হাজার ৫০০ যোগ্য মিয়ানমার শরণার্থীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের অনুপস্থিতির কথা তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
মালয়েশিয়া সরকার আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে অন্তত ১ হাজার ৫০০ যোগ্য মিয়ানমার শরণার্থীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। মিয়ানমারের সামরিক সমর্থিত সরকার গত জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৫ হাজার সদস্যকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়া সরকার ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০০ যোগ্য রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবে
- 📌 মিয়ানমারের সামরিক সরকার গত জুলাইয়ে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেন
- 📌 প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দুইটি মিয়ানমার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে
- 📌 মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মিয়ানমারে নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের অনুপস্থিতির কথা তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছে, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে অন্তত ১ হাজার ৫০০ যোগ্য মিয়ানমার শরণার্থীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দুইটি মিয়ানমার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।
মালয়েশিয়া সরকার আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪ হাজার ব্যক্তি প্রধানত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ভুক্তদের শরণার্থী নিবন্ধন দলিল কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যেখানে আরও ৫ হাজার ব্যক্তিকে মিয়ানমারের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বছরের শেষ নাগাদ আটক ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব, অভিবাসন অবস্থা, আশ্রয় দাবি এবং নিরাপত্তা বিষয়ক তথ্য যাচাই করবে বলে জানানো হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ
গত মাসে সরকার জানিয়েছিল যে শরণার্থীদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হবে। মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল বলেন, "মালয়েশিয়া দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে সেই ৫ হাজার মিয়ানমার শরণার্থীকে ফেরত পাঠাবে না যদি তাদের হয়রানি করা হয় বা জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।"
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, মিয়ানমারে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি বর্তমানে অনুপস্থিত রয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে জানায় যে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ অব্যাহত রেখেছে।
"প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দুইটি মিয়ানমার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এবং একটি হাসপাতাল জাহাজ ব্যবহার করা হবে।"
"মালয়েশিয়া দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে সেই ৫ হাজার মিয়ানমার শরণার্থীকে ফেরত পাঠাবে না যদি তাদের হয়রানি করা হয় বা জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম, যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫০০, ৫ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!