📌 ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী আলেক্স সাব মার্কিন আদালতে অর্থশোধন ও ধোঁকাবাজির দায় স্বীকার করেছেন। তিনি সরকারি চুক্তি থেকে শতকোটি ডলার চুরি করে বিদেশী কোম্পানিগুলোতে পাচার করেছিলেন। মার্কিন সরকারের দাবি, সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার দরিদ্র জনগণের জন্য বিতরণ করা খাদ্য ও ঔষধের অর্থ চুরি করেছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামি জেলা আদালতে ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী ও নিকোলাস মাদুরোর প্রাক্তন সহযোগী আলেক্স সাব গত রবিবার অর্থশোধন ও ধোঁকাবাজির দায় স্বীকার করেছেন। সাবের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের অভিযোগ, তিনি সরকারি চুক্তি থেকে শতকোটি ডলার চুরি করে জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করেছিলেন। এতে ভেনেজুয়েলার দরিদ্র জনগণের জন্য বিতরণ করা খাদ্য ও ঔষধের অর্থ চুরি হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আলেক্স সাব মার্কিন আদালতে অর্থশোধন ও ধোঁকাবাজির দায় স্বীকার করেছেন। তিনি ভেনেজুয়েলার সরকারি চুক্তি থেকে হাজারো কোটি ডলার চুরি করে বিদেশী কোম্পানিগুলোতে পাচার করেছিলেন।
- 📌 মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো জাল বিল, মিথ্যা পরিবহন রেকর্ড ব্যবহার করে হাজারো কোটি ডলার চুরি করেছিল। এসব অর্থ পরে জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করা হয়েছিল, যার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ছিল।
- 📌 সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার ক্ল্যাপ (CLAP) কর্মসূচি থেকে অর্থ চুরি করেছিল। এই কর্মসূচি ছিল দরিদ্র জনগণের জন্য সাবসিডাইজড খাদ্য ও ঔষধ বিতরণের।
- 📌 মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাব ভেনেজুয়েলার সরকারি তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ থেকে তেল চুরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতেন। মার্কিন সরকারের সנקশনের কারণে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিতে তেল বিক্রি ছিল মূল উৎস।
- 📌 সাবের বিরুদ্ধে ২০ বছরের কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির সম্ভাবনা ছিল। তবে তিনি ১৯৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ দাবি করে এবং মার্কিন সরকারের সাথে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
- 📌 সাবের এই মামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় মামলা। তিনি ২০২০ সালে কেপ ভার্দে থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরিত হন। তবে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তাকে ক্ষমা দিয়েছিলেন। পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিযোগে সাবকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা হয়।
- 📌 মার্কিন সরকারের অভিযোগ, সাবের এই মামলা রাজনৈতিক সংযোগ ও ধনসম্পদ থাকলেও মার্কিন বিচার ব্যবস্থা কাউকে রক্ষা করতে পারে না।
📰 বিস্তারিত
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামি জেলা আদালতে গত রবিবার আলেক্স সাবের বিরুদ্ধে অর্থশোধন ও ধোঁকাবাজির অভিযোগে মামলা চলছিল। সাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভেনেজুয়েলার সরকারি চুক্তি থেকে অর্থ চুরি করে জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করতেন। মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার দরিদ্র জনগণের জন্য বিতরণ করা খাদ্য ও ঔষধের অর্থ চুরি করেছিল। এতে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।
মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো জাল বিল, মিথ্যা পরিবহন রেকর্ড ব্যবহার করে হাজারো কোটি ডলার চুরি করেছিল। এসব অর্থ পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করা হয়েছিল। মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার সরকারি তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ থেকে তেল চুরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতেন।
মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার ক্ল্যাপ (CLAP) কর্মসূচি থেকে অর্থ চুরি করেছিল। এই কর্মসূচি ছিল দরিদ্র জনগণের জন্য সাবসিডাইজড খাদ্য ও ঔষধ বিতরণের। সাবের জাল কোম্পানিগুলো এই কর্মসূচির অর্থ চুরি করে জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করতেন।
"জাল কোম্পানি, জাল বিল ও মিথ্যা পরিবহন রেকর্ড ব্যবহার করে আমরা হাজারো কোটি ডলার চুরি করেছিলাম, যা দরিদ্র জনগণের জন্য বিতরণ করা হতো। পরে এসব অর্থ জাল কোম্পানিগুলোতে পাচার করা হয়েছিল।"
মার্কিন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, সাবের জাল কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার সরকারি তেল কোম্পানি পিডিভিএসএ থেকে তেল চুরি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতেন। মার্কিন সরকারের সנקশনের কারণে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতিতে তেল বিক্রি ছিল মূল উৎস। সাবের জাল কোম্পানিগুলো এই তেল বিক্রি করে হাজারো কোটি ডলার আয়ের পাচার করতেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিয়ামি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলেক্স সাব, মার্কিন বিচারপতি ক্যাথলিন উইলিয়ামস, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল টাইসেন ডুভা, মার্কিন অ্যাটর্নি জাস্টিন রেডিং কুইনোনেস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৫ মিলিয়ন ডলার, ২০ বছর কারাদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!