📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নিশাত সিকদারের বইয়ের গল্প: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলছে এক শিক্ষার্থী

নিশাত সিকদারের বইয়ের গল্প: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলছে এক শিক্ষার্থী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী নিশাত সিকদার ‘নিশু পিশু’ ফেসবুক পেজে বইয়ের রিভিউ দিয়ে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াচ্ছেন। তার সাবলীল উপস্থাপনা এবং বইয়ের সাজেশন পোস্টগুলো লাখ লাখ মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করছে

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত সিকদার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইয়ের গল্প বলার মাধ্যমে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলছেন। ‘নিশু পিশু’ নামের তার ফেসবুক পেজে বইয়ের রিভিউ দিয়ে তিনি অসংখ্য মানুষকে বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট করছেন। তার সাবলীল ভাষা এবং স্বতন্ত্র উপস্থাপনার ধরন বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘নিশু পিশু’ পেজে বইয়ের গল্প বলা শুরু করে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে নিশাত সিকদার, যিনি বইয়ের রিভিউ দিয়ে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলছেন।
  • 📌 বইয়ের সাজেশন পোস্টগুলোতে লাইক ও ফলো বেশি আসে, কখনো কখনো ভিউ লাখের ঘরও ছাড়িয়ে যায়।
  • 📌 বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য, যেখানে পাঠক ও লেখকের মধ্যে বন্ধন তৈরি হচ্ছে।
  • 📌 নিশাত বই বিষয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সেমিনারে অংশ নিয়েছেন, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খারাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
  • 📌 বইয়ের বাইরে পরিবেশের জন্য গাছ লাগাতে নিশাতের পছন্দ, তিনি ভেষজ ও ঔষধি গাছসহ বিভিন্ন গাছ লাগিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

নিশাত সিকদার ‘নিশু পিশু’ পেজে বইয়ের গল্প বলার মাধ্যমে বই পড়ার আগ্রহ জাগিয়ে তুলছেন। তিনি বলেন, “গল্পটা মন দিয়ে শুনলেন। তারপর বইটি কিনে পড়লেন। বইটি পড়ে মুগ্ধও হলেন।” এই পেজে বইয়ের রিভিউ দিয়ে তিনি বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে সহায়তা করছেন। তার সাবলীল ভাষা এবং স্বতন্ত্র উপস্থাপনার ধরন বইয়ের প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তুলছে।

ছোটবেলা থেকে বই পড়ার অভ্যাস ছিল নিশাতের। তিনি বলেন, “বইয়ের রিভিউ লিখবেন” এই ভাবনা থেকে শুরু করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইয়ের গল্প বলার সিদ্ধান্ত নেন। তার রিভিউ শুনে অসংখ্য মানুষ বই পড়তে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। এমনকি কী বই পড়বেন সে সম্পর্কে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন দর্শকরা। তবে তিনি বই পেলেই রিভিউ করেন না, কোনো বই তাঁর কাছে ভালো মনে হলে তবেই সেটি নিয়ে আলোচনা করেন।

বইয়ের রিভিউ দিয়ে নিশাতের আয় হয়, যা তাঁর শিক্ষার্থী হিসেবে হাতখরচের টাকা উঠে যায়। তিনি বলেন, “এসব কাজ করে যে আয় হয়, তাতে অন্তত একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার হাতখরচের টাকা উঠে যায়।” বইয়ের সাজেশন পোস্টগুলোতে বেশি লাইক ও ফলো আসে, কখনো কখনো ভিউ লাখের ঘরও ছাড়িয়ে যায়।

বই নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ভালো-মন্দ দুই ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে নিশাতের। তিনি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সেমিনারে আলোচক হিসেবে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খারাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘এসব অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, একজন রিভিউয়ার হিসেবে নিজের মতামত সৎভাবে প্রকাশ করার পাশাপাশি অন্যের মতামতকেও সম্মান করা জরুরি।’

"এসব অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছে, একজন রিভিউয়ার হিসেবে নিজের মতামত সৎভাবে প্রকাশ করার পাশাপাশি অন্যের মতামতকেও সম্মান করা জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিশাত সিকদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ সেপ্টেম্বর (আধুনিক ইতিহাস ও নারী অধিকার আন্দোলনের পাতায় একটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের প্রতীক), ২২ বছর (মাহসা জিনা আমিনি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖