📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লংমার্চের মহাকাব্য: চীনকে পাল্টে দেওয়া সেই অভিযাত্রার প্রভাব আজও বিশ্বজুড়ে

লংমার্চের মহাকাব্য: চীনকে পাল্টে দেওয়া সেই অভিযাত্রার প্রভাব আজও বিশ্বজুড়ে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ঐতিহাসিক লংমার্চ আজও বিশ্বকে প্রভাবিত করছে। ৯০ বছর আগে শুরু হওয়া এই অভিযাত্রা চীনকে পাল্টে দিয়েছে। দেং জিয়াও পিং থেকে সি চিন পিং পর্যন্ত নেতৃত্বের ধারা বদলে দিয়েছে দেশটির উন্নয়নের গতি

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ঐতিহাসিক লংমার্চ আজও বিশ্বকে প্রভাবিত করে চলেছে। দলটির প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছরে দাঁড়িয়ে নেতারা এই অভিযাত্রাকে বর্ণনা করেছেন ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে। আলতাফ পারভেজ লিখেছেন, লংমার্চ নিজেই রাজনৈতিকভাবে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হলেও সিপিসি একে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই অভিযাত্রা চীনকে শুধু নয়, বিশ্বকে দ্রুত পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছর পূর্তিতে দলটির নেতা সি চিন পিং অভিযাত্রাকে ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন
  • 📌 লংমার্চের সূচনা হয়েছিল চীনের দক্ষিণ-পূর্বের রুইজিন থেকে, যেখানে প্রায় এক লাখ ক্যাডার অংশ নিয়েছিলেন
  • 📌 দুই বছরের অভিযাত্রায় মাত্র ১০ হাজার ক্যাডার টিকে ছিলেন, যার মূলমন্ত্র ছিল ‘সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে যাওয়া’
  • 📌 লংমার্চ শেষ হয় ইয়ানানে, যেখানে অংশগ্রহণকারী শেষ জীবিত ওয়াং গুইজিয়াং গত ২২ জুলাই ১০৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন
  • 📌 আলতাফ পারভেজের মতে, লংমার্চের মনোবিদ্যা চীনের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে

📰 বিস্তারিত

গত জুলাইয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়। দলটির নেতা সি চিন পিং এই সময়ে চীনের উন্নয়নের ইতিহাসকে বর্ণনা করেছেন ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে। আলতাফ পারভেজ লিখেছেন, লংমার্চ নিজেই রাজনৈতিকভাবে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হলেও সিপিসি একে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এই অভিযাত্রা চীনকে শুধু নয়, বিশ্বকে দ্রুত পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করছে।

চীনের দক্ষিণ-পূর্বের রুইজিন থেকে শুরু হওয়া লংমার্চ ছিল একটি ঐতিহাসিক অভিযাত্রা। ১৯৩৪ সালে প্রায় এক লাখ ক্যাডার প্রতিপক্ষের ঘেরাও থেকে বাঁচতে এক হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দুই বছরের এই অভিযাত্রায় বিরূপ প্রকৃতির ছোবল আর নিষ্ঠুর প্রতিপক্ষের হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাদের। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১০ হাজার ক্যাডার টিকে ছিলেন। অভিযাত্রার মূলমন্ত্র ছিল ‘সরাসরি সংঘাত এড়িয়ে যাওয়া’।

লংমার্চ শেষ হয় ইয়ানানে। অংশগ্রহণকারী ওয়াং গুইজিয়াং ছিলেন শেষ জীবিত ব্যক্তি, যিনি ১০৪ বছর বয়সে গত ২২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এই রাজনৈতিক অধ্যায়ের শরীরী যোগসূত্র শেষ হলো। আলতাফ পারভেজের মতে, লংমার্চের মনোবিদ্যা চীনের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। দেং জিয়াও পিং থেকে শুরু করে সি চিন পিং পর্যন্ত নেতৃত্বের ধারা এই অভিযাত্রার প্রভাব বহন করছে।

"লংমার্চ নিজেই রাজনৈতিকভাবে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হলেও সিপিসি একে ভিন্ন উচ্চতায় নেয় মূল ঘটনার পর। ওই অভিজ্ঞতাকে চিরস্থায়ী অনুপ্রেরণা এবং জাতীয় মানসিকতায় পরিণত করে তারা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সি চিন পিং, ওয়াং গুইজিয়াং, আলতাফ পারভেজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৫ বছর, ৯০ বছর, ১০ হাজার, ১০৪ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖