📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কসোভোর নতুন গণকবরে পাওয়া গেল অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ, যুদ্ধাপরাধের নতুন প্রমাণ

কসোভোর নতুন গণকবরে পাওয়া গেল অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ, যুদ্ধাপরাধের নতুন প্রমাণ

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কসোভোতে ১৯৯৮-৯৯ সালের জাতিগত সংঘর্ষের সময় নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে নতুন গণকবর আবিষ্কৃত হয়েছে। ফরেনসিক দল অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ

কসোভোর উত্তরাঞ্চলের জুবিন পোটোক এলাকায় পরিচালিত অনুসন্ধানে নতুন তিনটি গণকবর থেকে অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার যৌথ বিবৃতিতে ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট, প্রসিকিউটর, পুলিশ কর্মকর্তা ও তদন্তকারীরা জানান, "ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউটের দলগুলো অন্তত ২৩ জন ব্যক্তির কঙ্কালসার অবশেষ খুঁজে পেয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।" ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে জাতিগত আলবেনীয় বিদ্রোহী ও সার্বিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ নিহত এবং চার হাজার নিখোঁজ হন। পরবর্তী দশকগুলোতে কর্তৃপক্ষ গণকবর উন্মোচনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে হাজার হাজার ভুক্তভোগীর পরিচয় মিলেছে। তবে এখনও প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কসোভোর ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া অবশেষগুলো সম্ভবত "মিত্রোভিকা শহর থেকে জোরপূর্বক অপহৃত ২৩ জন আলবেনীয়ের, যারা ১৯৯৯ সালের বসন্তে হত্যার শিকার হন।" বিবৃতিতে আরও বলা হয়, "পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত করা হবে ফরেনসিক পরীক্ষা ও প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর।" তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া সব অবশেষ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, যদিও এ প্রক্রিয়া কয়েক মাস সময় নিতে পারে। সম্প্রতি তিন স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিবৃতিতে বলা হয়, "তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তদন্ত চলছে।"

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কসোভোর জুবিন পোটোক এলাকায় নতুন তিনটি গণকবর থেকে অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার
  • 📌 ফরেনসিক দলের দাবি, অবশেষগুলো অন্তত ২৩ জন ব্যক্তির বলে সন্দেহ
  • 📌 ১৯৯৮-৯৯ সালের জাতিগত সংঘর্ষে নিহত হন প্রায় ১৩ হাজার মানুষ
  • 📌 ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তির দাবি, অবশেষগুলো মিত্রোভিকা শহরের ২৩ আলবেনীয়ের
  • 📌 তিন স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তদন্ত চলছে

📰 বিস্তারিত

কসোভোর উত্তরাঞ্চলের জুবিন পোটোক এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে নতুন তিনটি গণকবর থেকে অন্তত ২৩ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার যৌথ বিবৃতিতে ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউট, প্রসিকিউটর, পুলিশ কর্মকর্তা ও তদন্তকারীরা জানান, "ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউটের দলগুলো অন্তত ২৩ জন ব্যক্তির কঙ্কালসার অবশেষ খুঁজে পেয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।" ১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে জাতিগত আলবেনীয় বিদ্রোহী ও সার্বিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ নিহত এবং চার হাজার নিখোঁজ হন। পরবর্তী দশকগুলোতে কর্তৃপক্ষ গণকবর উন্মোচনে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে হাজার হাজার ভুক্তভোগীর পরিচয় মিলেছে। তবে এখনও প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কসোভোর ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়া অবশেষগুলো সম্ভবত "মিত্রোভিকা শহর থেকে জোরপূর্বক অপহৃত ২৩ জন আলবেনীয়ের, যারা ১৯৯৯ সালের বসন্তে হত্যার শিকার হন।" বিবৃতিতে আরও বলা হয়, "পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত করা হবে ফরেনসিক পরীক্ষা ও প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর।" তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া সব অবশেষ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে, যদিও এ প্রক্রিয়া কয়েক মাস সময় নিতে পারে। সম্প্রতি তিন স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিবৃতিতে বলা হয়, "তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তদন্ত চলছে।"

"ফরেনসিক মেডিসিন ইনস্টিটিউটের দলগুলো অন্তত ২৩ জন ব্যক্তির কঙ্কালসার অবশেষ খুঁজে পেয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।"
"পুরোপুরি পরিচয় নিশ্চিত করা হবে ফরেনসিক পরীক্ষা ও প্রাসঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর।"
"২৩ আলবেনীয় যারা জোরপূর্বক মিত্রোভিকা শহর থেকে অপহৃত হয়ে হত্যার শিকার হন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জুবিন পোটোক, কসোভো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলবিন কুর্তি (ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖