📌 কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ায় স্বজনরা মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত। দুই দেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দ্রুতই মরদেহ হস্তান্তরের আশা করা হচ্ছে
কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃতদের ময়নাতদন্ত করা হয়। দুই দেশের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার হোটেল শিখায় অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে
- 📌 মৃতদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত ও শ্বশুর আকরাম হোসেন
- 📌 নিহত অন্যান্য বাংলাদেশিরা হলেন ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু, সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজু ও রেবতী সরকার
- 📌 হোটেলটির ইজারাদার আবু জাফরসহ দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ
📰 বিস্তারিত
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখায় বুধবার ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে নয়জন নিহত হন, যার মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ছিলেন। নিহত বাংলাদেশিরা হলেন কুষ্টিয়ার শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার দেবাশীষ দত্ত (৩৯), তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), তাঁদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত এবং দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬৪)। এছাড়াও রয়েছেন ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার আহমেদ বাবু (৪০), সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) ও রেবতী সরকার।
বৃহস্পতিবার কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মৃতদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। দেবাশীষ দত্তের আত্মীয় কৃষ্ণ নন্দী বলেন, দুই দেশের আনুষ্ঠানিকতা যত দ্রুত শেষ হবে, তত দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হবে। তবে শুক্রবারের আগে মরদেহ দেশে নেওয়া সম্ভব হবে না বলে তিনি ধারণা করছেন।
হোটেলটির ইজারাদার আবু জাফরকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। হোটেলের দুই কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আবু জাফর জোড়াসাঁকোর বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক সিজার মণ্ডল।
"দেবাশীষ দত্তসহ পরিবারের চারজনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনে গিয়েছি। দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া যত দ্রুত শেষ হবে, তত দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হবে।"
দেবাশীষ দত্তের বাবা দিলীপ দত্ত বলেন, "ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতির মরদেহের অপেক্ষায় দিন কাটছে। পরিবারের পুরুষ সদস্য বলতে এখন আমিই একা। বুকের ভেতর তীব্র কষ্ট থাকলেও তা প্রকাশ করতে পারছি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমীন, স্বর্ণশীষ দত্ত, আলিমুজ্জামান সাজু, রেবতী সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন বাংলাদেশি নিহত, ৯ জন মোট মৃত্যু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!