📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতা হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৯: মালিক গ্রেপ্তার, অবহেলার অভিযোগে তদন্ত তীব্র

কলকাতা হোটেল অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ৯: মালিক গ্রেপ্তার, অবহেলার অভিযোগে তদন্ত তীব্র

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় শিখা-ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে অগ্নিনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত শিখা-ইন হোটেলে গত মঙ্গলবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। ঘটনার পর হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার শিখা-ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয় জনের মৃত্যু, সাতজন বাংলাদেশি
  • 📌 হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে
  • 📌 অগ্নিকাণ্ডের পর মালিক ঝাড়খণ্ডের ধনবাদে পালিয়ে যান, পরে কলকাতায় ফিরে আসেন
  • 📌 প্রাথমিক তদন্তে হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছে
  • 📌 হোটেলটির আয়তন প্রায় এক হাজার একশ বর্গফুট, নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার শিখা-ইন হোটেলে গত মঙ্গলবার রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। ঘটনার পর হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বেহালায় নিজ বাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হয়ে মালিক ঝাড়খণ্ডের ধনবাদে পালিয়ে যান। কয়েক দিন ধরে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। ব্যাংক হিসাব জব্দ হওয়ায় অর্থসংকটে পড়ে তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন। এরপরই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্তকারীরা জানান, শিখা-ইন ছাড়াও নিউ মার্কেট এলাকায় জাপোন নামে আরেকটি হোটেল এবং দিঘা ও মন্দারমনিতে আরও দুটি হোটেলের মালিক বীরেশ্বর মিত্র। অগ্নিকাণ্ডের খবর কর্মচারীদের কাছ থেকে পেলেও তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেননি। পুলিশের ধারণা, তিনি নিজের গাড়িতে করে ধনবাদে পালিয়ে যান এবং সেখানে কয়েকজন কর্মচারীর বাসায় আশ্রয় নেন।

"হোটেলটির প্রায় এক হাজার একশ বর্গফুট জায়গার মধ্যে একাধিক কক্ষ ও সংযুক্ত বাথরুম নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে হোটেলটিতে অগ্নিনিরাপত্তার মৌলিক বিধি যথাযথভাবে মানা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।"

এর আগে এই মামলায় শিখা-ইনের ইজারাদার আবু জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি মাসিক ৪০ হাজার রুপি ভাড়ায় হোটেলটি ইজারা নিয়েছিলেন। একই ভবনের পঞ্চম তলার একটি অংশ ইজারা নিয়েছিলেন উমেশ সিং ও জিতেন সিং নামের দুজন। হোটেলের অন্যান্য কর্মচারীদের কাছ থেকেও ঘটনার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, নিউ মার্কেট এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীরেশ্বর মিত্র (হোটেল মালিক), আবু জাফর (ইজারাদার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয় জন নিহত (সাতজন বাংলাদেশি), এক হাজার একশ বর্গফুট আয়তন, মাসিক ভাড়া ৪০ হাজার রুপি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖