📌 কলকাতায় হাসপাতালের নিকটবর্তী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর প্রশাসনিক নজরদারি তীব্র হয়ে ওঠে। গেস্টহাউস ও হোটেলের বন্ধের কারণে বাংলাদেশি রোগীরা ফুটপাতে শোয়ার ব্যবস্থা করতে বাধ্য হচ্ছেন। পৌরসভার তদন্তে ৯১৯টি হোটেল বন্ধ রাখা হয়েছে
কলকাতার হাসপাতাল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর প্রশাসনিক নজরদারি তীব্র হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশি রোগীরা বিপদে পড়েছেন। গেস্টহাউস ও হোটেলের বন্ধের কারণে অনেক রোগী ও তাদের পরিবার ফুটপাতে শোয়ার ব্যবস্থা করতে বাধ্য হচ্ছেন। নেত্রকোনার মহম্মদ রফিকুলের বড় ভাই সফিকুলের ক্যানসার চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসার পর তাদের এই বিপদে পড়তে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার হাসপাতাল এলাকায় ৯১৯টি হোটেল ও গেস্টহাউস বন্ধ রাখা হয়েছে পৌরসভার নির্দেশে
- 📌 বাংলাদেশি রোগী ও পরিবার ফুটপাতে শোয়ার ব্যবস্থা করতে বাধ্য — গেস্টহাউস থেকে বিতাড়িত
- 📌 ১৯ আগস্ট মারকুইস স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু; তদন্তে অগ্নিনিরাপত্তা লঙ্ঘনের সন্দেহ
- 📌 হাসপাতাল এলাকার গেস্টহাউসের ভাড়া ৪-৫ গুণ বেড়েছে — স্বল্পবিত্ত রোগীদের জন্য অসম্ভব
- 📌 ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কলকাতায় চিকিৎসা নেওয়া রোগীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার মহম্মদ রফিকুলের বড় ভাই সফিকুলের ক্যানসার চিকিৎসার জন্য কলকাতায় আসার পর তাদের বিপদে পড়তে হয়েছে। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে সফিকুলকে কেমোথেরাপির জন্য কলকাতার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু গেস্টহাউসের মালিক অগ্রিম টাকা নেওয়ার পরও প্রথম রাতেই তাদের বিতাড়িত করে দেন। রাত ১০টা ৩০ মিনিটে মালপত্রসহ সবাইকে বের করে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে রাতে ফুটপাতে প্লাস্টিকের চাদর বিছিয়ে রোগী ও পরিবার শোয়ার ব্যবস্থা করতে হয়।
কলকাতার পূর্ব প্রান্তে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাসের আশপাশে অবস্থিত ডি’সান, মণিপাল, পিয়ারলেস, নারায়ণা ও এন টেগোরসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালের নিকটবর্তী এলাকায় এই অবস্থা দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রশাসনিক নির্দেশে বেশ কিছু গেস্টহাউস ও হোটেল বন্ধ রাখা হয়েছে। পৌরসভার অভিযানে মাত্র ৪১টি হোটেল প্রাথমিক অগ্নিনিরাপত্তার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হয়েছে। বাকি ৯১৯টি হোটেলের ওপর তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।
১৯ আগস্ট মারকুইস স্ট্রিটের একটি বেসরকারি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়। তদন্তে জানা যায়, হোটেলটির অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ বৈধ অনুমোদন ছিল না। এই ঘটনার পর কলকাতা পৌরসভা ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে। ৯৬০টি হোটেল ও গেস্টহাউস পরিদর্শনের পরে ৯১৯টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্দেশিকা জারি করে সেগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।
"কেন আমাদের সঙ্গে এমন করা হচ্ছে? আমাদের অপরাধ কী?" — রাতারাতি বিপদে পড়া রফিকুল বারবার প্রশ্ন করেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা (মারকুইস স্ট্রিট, ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাস এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহম্মদ রফিকুল, সফিকুল, সালমা বেগম, কলকাতা পৌর কমিশনার স্মিতা পান্ডে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯১৯টি হোটেল বন্ধ, ৯ জন মৃত্যু, ৪১টি হোটেল উত্তীর্ণ, ৯৬০টি হোটেল পরিদর্শন, ১৫-২০% বাংলাদেশি রোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!