📌 যুক্তরাষ্ট্র ইরানি এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম বন্ধের জন্য সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মতে, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানি এয়ারলাইনগুলো আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। বিদেশি কোম্পানিগুলো যদি তাদের সহায়তা করে, তাহলে ডলারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়বে
যুক্তরাষ্ট্র ইরানি এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম বন্ধের জন্য সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মতে, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানি এয়ারলাইনগুলো বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এ হুমকি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক চাপের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২৩ সেপ্টেম্বর** থেকে ইরানি এয়ারলাইনগুলো বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা থেকে বন্ধের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
- 📌 **বেসেন্টের সতর্কবার্তা**: ইরানি এয়ারলাইনগুলোর জন্য জ্বালানি সরবরাহ, অবতরণ সেবা ও টিকিট বিক্রি বন্ধের হুমকি
- 📌 **সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা**: বিদেশি কোম্পানিগুলো যদি ইরানি এয়ারলাইনগুলোর সহায়তা করে, তাহলে ডলারভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়বে
- 📌 **চীনের ভূমিকা**: ইরানের অন্যতম অর্থনৈতিক অংশীদার চীন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে ‘সক্রিয়ভাবে কাজ করছে’ বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী
- 📌 **ইরানের অর্থনৈতিক চাপ**: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের এয়ারলাইনগুলোর জন্য নতুন বিমান কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কঠিন হয়ে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গত সোমবার সিএনবিসিকে বলেছেন, ‘২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সারা বিশ্বে সব ইরানি এয়ারলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে’। এ সতর্কবার্তা শুধু এয়ারলাইনগুলোর জন্য নয়; বিদেশে কার্যক্রম চালাতে এসব এয়ারলাইন যেসব বিমানবন্দর, জ্বালানি সরবরাহকারী, টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপরও প্রযোজ্য। বেসেন্ট বলেন, ‘তারা যদি অবতরণ করে, তাহলে তাদের জ্বালানি দেওয়া যাবে না, উড়োজাহাজ অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া যাবে না, তাদের টিকিট বিক্রি করা যাবে না। এগুলো করলে আপনাকেই ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়া হবে’।
চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের যেসব এয়ারলাইন আগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল না, তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়াও, ইরানের বিমান চলাচল খাতকে সহায়তা করার অভিযোগে কিছু বিদেশি কোম্পানিরও বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ইরানের বিমান চলাচল খাত ইতিমধ্যে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন উড়োজাহাজ কেনা এবং খুচরা যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণসেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে নেওয়া আরও বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থার অংশ।
ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার ও কূটনৈতিক সমর্থক চীন। আগামী বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন বেসেন্ট। পরে বেসেন্ট ইরানের এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম আটকে দেওয়া নিয়ে মন্তব্য করেন যে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগের এ চেষ্টায় চীনা কর্মকর্তারা ‘খুব সক্রিয়ভাবে যুক্ত’ ছিলেন।
"২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সারা বিশ্বে সব ইরানি এয়ারলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। তারা যদি অবতরণ করে, তাহলে তাদের জ্বালানি দেওয়া যাবে না, উড়োজাহাজ অবতরণের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া যাবে না, তাদের টিকিট বিক্রি করা যাবে না। এগুলো করলে আপনাকেই ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন), চীন (বেইজিং), ইরান (তেহরান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!