📌 জাপান-বাংলাদেশ সাংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশের কথা তুলে ধরা হয়
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বে জাপান-বাংলাদেশ সাংসদীয় মৈত্রী লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীনের তথ্য অনুযায়ী, এই সাক্ষাতের মাধ্যমে দুই দেশের মৈত্রী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা আলোচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৬ অক্টোবর জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জাপান-বাংলাদেশ সাংসদীয় মৈত্রী লীগের প্রতিনিধিদল।
- 📌 সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারো আসোর প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং ২০০৬ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতি তুলে ধরেন।
- 📌 তারো আসো বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ জনসংখ্যার কারণে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সরকার আইনি পরিবর্তন ও শিক্ষা-দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- 📌 সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয় এবং জাপানের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
- 📌 বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ ৭ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় জাপান-বাংলাদেশ সাংসদীয় মৈত্রী লীগের সভাপতি ও জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারো আসোর প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, জাপান-বাংলাদেশ সাংসদীয় মৈত্রী লীগের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে অবদান রাখায় তিনি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি ২০০৬ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতি তুলে ধরেন। তারো আসোও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতি তুলে ধরেন এবং বলেন, তারো আসো বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন।
তারো আসো বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়ায় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে কিছু আইনি পরিবর্তনও আনা হচ্ছে। তিনি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে তারো আসোর সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানান।
"বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ জনসংখ্যার কারণে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (জাপানের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে সাক্ষাৎ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ অক্টোবর (সাক্ষাতের তারিখ), ৩ টা (জাপানের স্থানীয় সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!