📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের কাবাতিয়া শহরে অভিযান চালিয়ে ফিলিস্তিনি আটকদের কপালে সংখ্যা লিখে অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায় একজন আটকের কপালে '৪৪' সংখ্যাটি লেখা রয়েছে
পশ্চিম তীরের অধিকৃত অঞ্চলের কাবাতিয়া শহরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় ফিলিস্তিনি আটকদের কপালে সংখ্যা লিখে অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার পরিচালিত এই অভিযানের সময় স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায় একজন ফিলিস্তিনি ব্যক্তির কপালে '৪৪' সংখ্যাটি লেখা রয়েছে, যা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের কাবাতিয়া শহরে অভিযান চালিয়ে ফিলিস্তিনি আটকদের কপালে সংখ্যা লিখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায় একজন আটকের কপালে '৪৪' সংখ্যাটি লেখা রয়েছে।
- 📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে অভিযানের সময় দুই ব্যক্তিকে 'সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার' সন্দেহে আটক করা হয়েছে।
- 📌 ফিলিস্তিনি বন্দী আহমেদ আল-হাথনাবি জানান, তাকে চতুর্থবারের মতো মুক্তি দেওয়া হয়েছিল মাত্র ১০ দিন আগে।
- 📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে যে সেনারা আটকদের কপালে সংখ্যা লেখার ঘটনাটি 'খারাপ বিচার' ছিল বলে মনে করছে।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিম তীরের অধিকৃত অঞ্চলের কাবাতিয়া শহরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় ফিলিস্তিনি আটকদের কপালে সংখ্যা লিখে অমানবিক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায় একজন ফিলিস্তিনি ব্যক্তির কপালে '৪৪' সংখ্যাটি লেখা রয়েছে, যা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।
ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কাবাতিয়া শহরের কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজন যুবককে আটক করেছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় দুই ব্যক্তিকে 'সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার' সন্দেহে আটক করা হয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অভিযানের সময় প্রায় ৫০ জনকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে কয়েকজন মহিলাও ছিলেন।
আহমেদ আল-হাথনাবি নামে এক আটক ব্যক্তি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাকে চতুর্থবারের মতো মাত্র ১০ দিন আগে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, "এটি ছিল শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদ ও সন্ত্রাস, পরিবারের সদস্যদের ভয় দেখানো এবং মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের হয়রানি করা। তারা মূলত একটি বার্তা পাঠাতে চাইছে যে, যদি বসতি স্থাপনকারীরা এলাকায় প্রবেশ করে, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না এবং তারা এখানে দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে।"
"তারা মূলত একটি বার্তা পাঠাতে চাইছে যে, যদি বসতি স্থাপনকারীরা এলাকায় প্রবেশ করে, তাহলে কোনো সমস্যা হবে না এবং তারা এখানে দীর্ঘ সময় ধরে থাকবে।"
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী স্বীকার করেছে যে সেনারা আটকদের কপালে সংখ্যা লেখার ঘটনাটি 'খারাপ বিচার' ছিল বলে মনে করছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "কমান্ডাররা সেনাদের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং শিক্ষা গ্রহণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিম তীরের কাবাতিয়া শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহমেদ আল-হাথনাবি (আটক ব্যক্তি), ইসরায়েলি সেনাবাহিনী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৪ (আটকের কপালে লেখা সংখ্যা), ৫০ (আটকের সংখ্যা), ১০ (দিন আগে মুক্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!