📌 সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মোসাদপ্রধানের ফোনালাপের পরই ইসরায়েল সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি
সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান রোমান গফম্যান ও সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানির মধ্যে ১৪ আগস্ট একটি ফোনালাপ হয়। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনায় সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ও অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ফোনালাপের চার দিন পরই ইসরায়েল সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ আগস্ট মোসাদপ্রধান রোমান গফম্যান ও সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানির মধ্যে ফোনালাপ হয়
- 📌 ফোনালাপে সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ও অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি আলোচিত হয়
- 📌 ফোনালাপের চার দিন পর ইসরায়েল সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দাবি করেন, তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি
📰 বিস্তারিত
সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েল। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান রোমান গফম্যান ও সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানির মধ্যে ১৪ আগস্ট একটি ফোনালাপ হয়। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই আলোচনায় সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ও অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ফোনালাপের চার দিন পরই ইসরায়েল সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেন, দামেস্ক প্রশাসন সিরিয়ায় তুর্কি সেনা মোতায়েনের অনুমতি দেওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। তিনি বলেন, সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েন করা হলে তা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করবে। নেতানিয়াহু আরও জানান, ইসরায়েল সিরিয়াকে বারবার সতর্ক করলেও আল-শারা প্রশাসন তা আমলে নেয়নি।
ফোনালাপে সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো, অস্ত্র বিক্রি, ড্রোন সরবরাহসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইসরায়েল নানা তথ্য জানতে চায়। সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে তুরস্ক অস্ত্র সরবরাহ করছে কি না, গফম্যান সেটিও জানতে চান। সূত্র আরও জানায়, দুই নেতার মধ্যে সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি নিয়েই মূলত কথা হয়েছে।
"ইসরায়েলের জন্য হুমকি হতে পারে, সিরিয়ায় তুরস্কের এমন কোনো সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতি ইসরায়েল সহ্য করবে না। আমরা তুরস্ককে স্পষ্টভাবে বলেছিলাম, এমনটা করবেন না। তারা স্পষ্টত আমাদের বার্তা শোনেনি। তাই আমরা (সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর মাধ্যমে) নিশ্চিত করেছি, যেন তারা বার্তাটি আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোমান গফম্যান, আসাদ আল-শাইবানি, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!