📌 'নাজা' নামের এই নথিভুক্ত চলচ্চিত্রে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গাজা অভিযানে সৃষ্ট নিরীহ হতাহতদের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু ইসরায়েলের শীর্ষ নেতা থেকে সাংবাদিক পর্যন্ত — সবাই চলচ্চিত্রটি দেখতে অস্বীকার করছেন। তারা দাবি করছেন, এই চলচ্চিত্রের প্রমাণ দেখলে ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া হবে বিপদজনক
ইসরায়েলের শীর্ষ নেতা থেকে সাংবাদিক পর্যন্ত — সবাই একমত যে 'নাজা' নামের এই নথিভুক্ত চলচ্চিত্র দেখতে চায় না। এই ২৫ মিনিটের চলচ্চিত্রে গাজা অভিযানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর 'সামরিক অপারেশনের অংশ' হিসেবে নিরীহ নাগরিকদের হতাহতের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু চলচ্চিত্রের নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম এবং রাচেল সোরের মতে, তাদের চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারেনি — কারণ ইসরায়েলের কর্তৃপক্ষ ও জনগণই চলচ্চিত্রটি দেখতে অস্বীকার করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী থেকে সেনাবাহিনীর প্রধান পর্যন্ত — সবাই চলচ্চিত্র নির্মাতাদের বিরুদ্ধে 'কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার' কথা বললেও, সেগুলো কী হবে তা স্পষ্ট নয়।
- 📌 ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে একটি সাধারণ মতামত গড়ে উঠেছে: 'আমরা এই চলচ্চিত্র দেখতে চাই না' — এমনকি চলচ্চিত্রের নির্মাতারা ইসরায়েলে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের জন্য প্রচার করছেন।
- 📌 ইসরায়েলি বামপন্থী সাংবাদিকদের মতে, 'নাজা' চলচ্চিত্রের প্রমাণ দেখলে ইসরায়েলের জনগণ যুদ্ধ বন্ধের দাবি তোলবে — কিন্তু তারা চলচ্চিত্রটি দেখতে অস্বীকার করছেন।
- 📌 ইসরায়েলি সাংবাদিক রাভিভ ড্রাকার বলেছেন, এই চলচ্চিত্রের প্রমাণ দেখলে ইসরায়েলের জনগণ 'গাজার নিরীহ শিশুদের হতাহতের' বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করবে — কিন্তু তিনি নিজে চলচ্চিত্রটি প্রচার করতে অস্বীকার করেছেন।
- 📌 ইসরায়েলি সাংবাদিক উরি মিসগাভ চলচ্চিত্রটিকে 'জার্নালিজমের মানদণ্ড লঙ্ঘন' হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন, চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলের শত্রুদের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে একটি সাধারণ যুক্তি প্রচলিত: 'আমরা নিজেদের গৃহকর্ম নিজেই করি — অন্যদের সামনে এই বিষয় তুলে ধরব না'।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলি সাংবাদিক রাভিভ ড্রাকার, যিনি ইসরায়েলের অন্যতম প্রখ্যাত তদন্ত সাংবাদিক, ইউভাল আব্রাহামের সাথে এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করেছিলেন যে, কেন ইসরায়েলি মিডিয়া 'নাজা' চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে পারেনি। ড্রাকার স্বীকার করেছেন যে, এই ধরনের বিষয় প্রকাশ করা 'কঠিন' — কিন্তু তিনি নিজেই চলচ্চিত্রটি প্রচার করতে অস্বীকার করেছেন। তার যুক্তি ছিল, চলচ্চিত্রটি 'জার্নালিজমের মানদণ্ড লঙ্ঘন' করেছে, কারণ এটি অজ্ঞাতনামা সাক্ষীদের উপর নির্ভরশীল।
ইসরায়েলি বামপন্থী সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দাবি করেছেন, 'নাজা' চলচ্চিত্রের প্রমাণ দেখলে ইসরায়েলের জনগণ যুদ্ধ বন্ধের দাবি তোলবে। কিন্তু তারা চলচ্চিত্রটি দেখতে অস্বীকার করছেন। তাদের মতে, চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলের শত্রুদের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে — বিশেষত কাতার ও হামাসের জন্য।
ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে একটি সাধারণ মতামত গড়ে উঠেছে: 'আমরা নিজেদের গৃহকর্ম নিজেই করি — অন্যদের সামনে এই বিষয় তুলে ধরব না'। তারা দাবি করছেন, গাজায় সৃষ্ট নিরীহ হতাহতদের বিষয়টি ইসরায়েলের অভ্যন্তরে আলোচনা করা উচিত — কিন্তু বিশ্বের সামনে তুলে ধরলে ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া হবে বিপদজনক।
ইসরায়েলি সাংবাদিক উরি মিসগাভ চলচ্চিত্রটিকে 'জার্নালিজমের মানদণ্ড লঙ্ঘন' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চলচ্চিত্রের নির্মাতারা ইতিমধ্যে তাদের নिष्कর্ষণ করেছেন — যে ইসরায়েলই গাজার সমস্ত দায়িত্ব বহন করছে। মিসগাভের মতে, চলচ্চিত্রটি ইসরায়েলের শত্রুদের হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে, যারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রচারণা চালাচ্ছে।
"আমরা এই চলচ্চিত্র দেখতে চাই না — এমনকি চলচ্চিত্রের নির্মাতারা ইসরায়েলে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের জন্য প্রচার করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল (সাংবাদিকদের মন্তব্য, সরকারি প্রতিক্রিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউভাল আব্রাহাম, রাচেল সোর, রাভিভ ড্রাকার, উরি মিসগাভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০,০০০ (গাজার নিহত শিশু), ৭০,০০০ (মোট নিহত প্যালেস্টাইনীয়), ২৫ (চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য মিনিট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!