📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের পরিকল্পনা সত্ত্বেও ইসরায়েলের বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির দায় ১০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নথি থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে। ইসরায়েলের ২৫টি এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ক্রয়সহ বড় চুক্তিগুলো এখন অর্থায়নের প্রশ্নে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের পরিকল্পনা সত্ত্বেও ইসরায়েলের বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়ন ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দাবি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একটি নথি থেকে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রকাশ করেছে। ইসরায়েলের আগে থেকেই দেওয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তিগুলোর বিপরীতে এই অর্থের প্রয়োজন হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণার সাথে নতুন প্রশ্ন তুলে ধরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়ন ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দাবি করেছে, যা ২০২৮ সালের পরও পরিশোধ করতে হবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের পরিকল্পনা সত্ত্বেও ইসরায়েলের ২৫টি এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ক্রয়সহ বড় চুক্তিগুলো অর্থায়নের প্রশ্নে রয়েছে
- 📌 ২০২৮ সালের শেষে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক সহায়তা চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও, বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়ন ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দাবি করেছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য হোয়াকিন কাস্ত্রো জানিয়েছেন, বকেয়া অর্থের দায় ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা, ইসরায়েলের নিজস্ব তহবিল অথবা উভয়ের সমন্বয়ে মেটানো যেতে পারে
- 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, কিন্তু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সহায়তা দ্রুত বন্ধ করা হলে দেশটির প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান সামরিক সহায়তা চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়নের দাবি ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের আগে থেকেই দেওয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তিগুলোর বিপরীতে এই অর্থের প্রয়োজন হবে। বিশেষত, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের জুনে ২৫টি এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে। এই বিমানগুলোর সরবরাহ ২০২৮ সাল থেকে শুরু হওয়ার কথা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দেওয়া বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। এই ঘোষণায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতের কর্মকর্তাসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বিস্মিত হয়েছে। তবে, বকেয়া অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়নের দায় ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা, ইসরায়েলের নিজস্ব সরকারি তহবিল অথবা উভয়ের সমন্বয়ে মেটানো যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মার্কিন সহায়তা দ্রুত বন্ধ করা হলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা গবেষণা, উন্নয়ন ও উৎপাদন সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আইন প্রণয়নের কথা ভাবছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।
"২০২৮ সাল পর্যন্ত সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ পূর্ণ হলেও এর বাইরেও আরও ১০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। আর সেই অর্থ কে পরিশোধ করবে, সেটিই এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট), বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু (ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী), হোয়াকিন কাস্ত্রো (যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বিলিয়ন ডলার (অস্ত্র ক্রয় চুক্তির অর্থায়ন), ২৫টি এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ৩ বিলিয়ন ডলার (এফ-৩৫ ক্রয় চুক্তি), ২০২৮ (চুক্তির মেয়াদ শেষের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!