📌 ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ স্যার জন সাওয়ারসের মতে, ইরানের প্রাক্তন নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী আলি লারিজানি হত্যার পিছনে ছিল যুদ্ধের সমাধানকারীদের নির্মূল করার একটি প্যাটার্ন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের হত্যা করে ইসরায়েল যুদ্ধের সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে, যা শান্তির সম্ভাবনাকে আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে
ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের সিস্টেমেটিকভাবে নির্মূল করার প্যাটার্নের দিকে বিশ্বের নজর গড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সাধারণত মনে করা হয়, যুদ্ধ যখন অগ্রসর হয় এবং যুদ্ধবিরতি অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন মধ্যস্থতাকারীরা আসে এবং শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু মধ্যস্থতাকারীদের অপসারণের মাধ্যমে যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধানকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্রিটেনের প্রাক্তন গোপনচর স্যার জন সাওয়ারসের মতে, ইরানের প্রাক্তন নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী আলি লারিজানি ইসরায়েলের লক্ষ্য ছিল না তার যুদ্ধ পরিচালনার কারণে, বরং তার ক্ষমতা ছিল যুদ্ধের সমাধান করার জন্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্যার জন সাওয়ারস বলেছেন, ইসরায়েল ইরানের আলি লারিজানি হত্যা করে যুদ্ধের সম্ভাব্য সমাধানকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে, যা শান্তির সম্ভাবনাকে আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।
- 📌 নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের হত্যা করে ইসরায়েল যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে, যা শান্তির সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দিচ্ছে।
- 📌 ইসরায়েলের এই নীতির পূর্ববর্তী উদাহরণ রয়েছে, যেমন ১৯৪৮ সালে ফল্কে বার্নাডটের হত্যা এবং ২০২০ সালে মোহসেন ফাখরিজাদেহের হত্যা।
- 📌 ইসরায়েলের এই নীতির ফলে হামাসের ইসমাইল হানিয়েহ এবং হিজবুল্লাহর আব্বাস আল-মুসাওয়ির মতো নেতাদের মৃত্যুর পর তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিরা আরও কঠোর হয়ে পড়েন।
- 📌 ইসরায়েলের এই নীতির ফলে ইরানের আলি খামেনির মৃত্যুর পর আলি লারিজানি যুদ্ধের সমাধানকারীদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের নির্মূল করার প্যাটার্নের দিকে সতর্কতা জানাচ্ছেন। ব্রিটেনের প্রাক্তন গোপনচর স্যার জন সাওয়ারসের মতে, ইরানের প্রাক্তন নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী আলি লারিজানি হত্যা করা হয়েছিল তার যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতার কারণে, না তার যুদ্ধ পরিচালনার কারণে। তিনি বলেছেন, লারিজানি ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য উপযুক্ত ছিলেন।
ইসরায়েলের এই নীতির ফলে যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা শান্তির সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দিচ্ছে। নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের হত্যা করে ইসরায়েল যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারীদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছে, যা শান্তির সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দিচ্ছে। এই নীতির ফলে ইরানের আলি খামেনির মৃত্যুর পর আলি লারিজানি যুদ্ধের সমাধানকারীদের মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠেন।
ইসরায়েলের এই নীতির পূর্ববর্তী উদাহরণ রয়েছে, যেমন ১৯৪৮ সালে ফল্কে বার্নাডটের হত্যা এবং ২০২০ সালে মোহসেন ফাখরিজাদেহের হত্যা। ফল্কে বার্নাডট ছিলেন জাতিসংঘের মধ্যস্থতাকারী, যিনি ইসরায়েল এবং আরব দেশগুলির মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত করার চেষ্টা করছিলেন। তার হত্যার পর ইসরায়েলের নেতৃত্বে যিশাক শামিরের মতো কঠোর নেতারা ক্ষমতায় আসেন।
২০২০ সালে, ইরানের মোহসেন ফাখরিজাদেহের হত্যা হয়েছিল, যিনি ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক একজন প্রধান ব্যক্তি ছিলেন। এই হত্যা হয়েছিল জো বাইডেনের নির্বাচনের পর, যিনি ২০১৫ সালের নিরাপত্তা চুক্তির পুনরুজ্জীবন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই হত্যা ইরানের নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার ইসরায়েলের নীতির আরেকটি উদাহরণ।
"আলি লারিজানি ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির জন্য উপযুক্ত ছিলেন। তার হত্যা ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যক্তিদের নির্মূল করার একটি প্যাটার্নের অংশ হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, ইরান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্যার জন সাওয়ারস, আলি লারিজানি, ফল্কে বার্নাডট, ইসমাইল হানিয়েহ, যিশাক শামির, আলি খামেনি, মোহসেন ফাখরিজাদেহ, জো বাইডেন, আব্বাস আল-মুসাওয়ি, হাসান নাসরাল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪৮, ২০২০, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!