📌 ইসরায়েলের বাহিনী প্যালেস্টাইনিদের হিব্রু শহরের ইব্রাহিমী মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ধর্মীয় উৎসবে ইসরায়েলি বসতিবাসীরা মসজিদে জমা দিচ্ছে। প্যালেস্টাইনি ধর্মীয় মন্ত্রণালয় জানায়, নামাজের ডাক বন্ধ এবং মসজিদের কর্মচারীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে
ইসরায়েলের বাহিনী প্যালেস্টাইনিদের হিব্রু শহরের ইব্রাহিমী মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। ধর্মীয় উৎসবে ইসরায়েলি বসতিবাসীরা মসজিদে জমা দিচ্ছে। প্যালেস্টাইনিদের নামাজের ডাক বন্ধ করা হয়েছে এবং মসজিদের কর্মচারীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **হিব্রু শহরের ইব্রাহিমী মসজিদ** প্যালেস্টাইনিদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক।
- 📌 **মসজিদের পরিচালক মোতাজ আবু সিনেইন** আল জাজীরা-কে বলেছেন, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মসজিদের নামাজের হল এবং আঙ্গিনাগুলোকে শুধুমাত্র ইসরায়েলিদের জন্য খোলার পরিকল্পনা করছে।
- 📌 **ফ্রাইডে সন্ধ্যায়** থেকে **শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত** মসজিদ বন্ধ থাকবে।
- 📌 **২০,০০০ জনেরও বেশি** ইসরায়েলি বসতিবাসী মসজিদে ধর্মীয় উৎসবের জন্য উপস্থিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
- 📌 **হিব্রু শহরের পুরাতন শহর**ে চেকপয়েন্টগুলো শক্তিশালী করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে।
- 📌 **জুন মাসে** ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ ঘোষণা করেছিলেন, হিব্রু শহরের পরিকল্পনা ও নির্মাণ ক্ষমতা ইসরায়েলের হাতে নেওয়া হবে, যা প্যালেস্টাইনিদের নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল করে তুলেছে।
- 📌 **১০ দিনের হিব্রু শহরের ঘেরাও** শেষ হওয়ার পরেই এই ঘটনা ঘটেছে, যেখানে **৩,৩০০ জনেরও বেশি** প্যালেস্টাইনির বাড়ি ধ্বংস করা হয় এবং **১৫টি বাড়ি** ধ্বংস করা হয়।
- 📌 **ইব্রাহিমী মসজিদ** (ইসরায়েলি হিসেবে কবরস্থান) মুসলমান ও ইহুদিদের কাছে প্রিয় স্থান, যেখানে নবী ইব্রাহিম ও তার পরিবারের কবর রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের বাহিনী হিব্রু শহরের ইব্রাহিমী মসজিদে প্যালেস্টাইনিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে ইসরায়েলি বসতিবাসীদের ধর্মীয় উৎসবের সময়। প্যালেস্টাইনি ধর্মীয় মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নামাজের ডাক বন্ধ করা হয়েছে এবং মসজিদের কর্মচারীদেরও প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মসজিদের পরিচালক মোতাজ আবু সিনেইন আল জাজীরা-কে বলেছেন, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মসজিদের নামাজের হল এবং আঙ্গিনাগুলোকে শুধুমাত্র ইসরায়েলিদের জন্য খোলার পরিকল্পনা করছে।
ফ্রাইডে সন্ধ্যায় থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত মসজিদ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ইসরায়েলি বসতিবাসীরা মসজিদে ধর্মীয় উৎসবের জন্য উপস্থিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, মসজিদে প্রায় ২০,০০০ জনেরও বেশি বসতিবাসী উপস্থিত থাকবেন।
হিব্রু শহরের পুরাতন শহর এলাকায় চেকপয়েন্টগুলো শক্তিশালী করা হয়েছে এবং স্থানীয়দের চলাচল বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তার জন্য।
২০২৬ সালের জুন মাসে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মট্রিচ ঘোষণা করেছিলেন, হিব্রু শহরের পরিকল্পনা ও নির্মাণ ক্ষমতা ইসরায়েলের হাতে নেওয়া হবে। এই পদক্ষেপ প্যালেস্টাইনিদের নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল করে তুলেছে এবং ইব্রাহিমী মসজিদের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
এই ঘটনা ঘটেছে ১০ দিনের হিব্রু শহরের ঘেরাও শেষ হওয়ার পর। এই ঘেরাওতে **৩,৩০০ জনেরও বেশি** প্যালেস্টাইনির বাড়ি ধ্বংস করা হয় এবং **১৫টি বাড়ি** ধ্বংস করা হয়। ইসরায়েলি বসতিবাসীরা হিব্রু শহরের পুরাতন শহরে তাদের উপস্থিতি বাড়িয়ে চলেছে, প্যালেস্টাইনিদের বাড়ি দখল করে এবং নতুন বসতিগুলো স্থাপন করছে।
"ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মসজিদের নামাজের হল এবং আঙ্গিনাগুলোকে শুধুমাত্র ইসরায়েলিদের জন্য খোলার পরিকল্পনা করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হিব্রু শহর, পশ্চিম তীর (West Bank)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোতাজ আবু সিনেইন (মসজিদ পরিচালক), বেজালেল স্মট্রিচ (ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০,০০০ জন (বসতিবাসী), ৩,৩০০ জন (প্যালেস্টাইনির বাড়ি ধ্বংস), ১৫টি (বাড়ি ধ্বংস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!