📌 ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দিলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একইসঙ্গে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অবরোধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেন
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ঘোষণা করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দিলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ইরানি রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমরা সব প্রতিবেশী দেশকে জানিয়ে দিচ্ছি যে তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেয়। তা না হলে আমরা তাদেরকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।"
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাইয়ের হুঁশিয়ারি: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দিলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে তার সরকার ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাধিক বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান পরিচালনা করবে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, "আপনি হয় আমাদের সঙ্গে রয়েছেন, নয় বিরোধিতা করছেন"
- 📌 ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা কমিয়ে আনার তিন ধাপের কৌশলের কথা উল্লেখ করেছেন
- 📌 ইরান স্ট্রেইট অব হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে, যা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বন্ধ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই শনিবার এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দিলে প্রতিবেশী দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তার এই হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার ঘোষণা করেন যে তার সরকার ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাধিক বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান পরিচালনা করবে।
একইসঙ্গে ট্রাম্প ইরানকে যেকোনো ধরনের সাহায্য প্রদানকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে "ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি"র হুমকি দিয়েছেন। তার ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট পরদিন একই ধরনের হুমকি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, "আপনি হয় আমাদের সঙ্গে রয়েছেন, নয় বিরোধিতা করছেন।"
রেজাই তার সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য তিন ধাপের কৌশলের কথা উল্লেখ করেন। প্রথম ধাপে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করার কথা বলেন। দ্বিতীয় ধাপে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করবেন বলে জানান। আর তৃতীয় ধাপে তিনি বলেন, "আমরা অবশ্যই পদক্ষেপ নেব।"
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেওয়ার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে চাইছে বলে রেজাই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "তারা আশা করছে যে অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে আমাদের ঐক্য ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে এবং জনগণ রাস্তায় নামবে, যাতে তারা আমেরিকান এফ-৩৫ বিমানগুলোর সহায়তায় যুদ্ধ শেষ করতে পারে।"
"আমরা সব প্রতিবেশী দেশকে জানিয়ে দিচ্ছি যে তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ না দেয়। তা না হলে আমরা তাদেরকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।"
"সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান"
"ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহসেন রেজাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্কট বেসেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি ধাপের কৌশল, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!