📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত: বাংলাদেশে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সেমিনারে দাবি

ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত: বাংলাদেশে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সেমিনারে দাবি

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইরানে হামলার অনুমোদন দেয়নি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকৃত বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের জনগণ ও দেশের রক্ষায় এই অধিকার প্রয়োগ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এই কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতিসংঘের অনুমতি ছাড়া ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার — ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি বলেছেন, ইরানে হামলার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কোনো অনুমোদন দেয়নি।
  • 📌 আন্তর্জাতিক আইনের ৫২ নং অনুচ্ছেদে আত্মরক্ষার অধিকার — তিনি উল্লেখ করেছেন, জাতিসংঘ সনদের ৫২ নং অনুচ্ছেদে এই অধিকার স্বীকৃত রয়েছে।
  • 📌 বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা বৈধ নয় — রাষ্ট্রদূত প্রশ্ন তুলেছেন, হাসপাতাল, শিশু, নারী ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা কতটা বৈধ?
  • 📌 স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: সত্য ও ন্যায়বিচার তুলে ধরা — তিনি বলেছেন, কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে সত্য ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
  • 📌 বাংলাদেশ-ইরান বন্ধুত্বের আশা — তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ইরানের জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এবং দুই দেশের বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকবে।

📰 বিস্তারিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি ফারসি ভাষায় বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্য পরে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সঙ্ঘাতের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুদ্ধ শুধু সামরিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। গণমাধ্যমও যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমে যুদ্ধের ঘটনাগুলো একপেশেভাবে উপস্থাপিত হয়। তিনি বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব হলো সত্য ও ন্যায়বিচার তুলে ধরা, কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া।

জাতিসংঘ সনদের ৫১ ও ৪২ নং অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫২ নং অনুচ্ছেদে আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। তিনি বলেন, ইরান নিজেদের দেশ ও জনগণকে রক্ষায় এই অধিকার প্রয়োগ করছে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘ধরে নিন, আমরা সবাই সন্ত্রাসী। ইরানের শিক্ষার্থীরাও সন্ত্রাসী। তারপরও কি যুদ্ধের কোনো আইন থাকবে না? বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা করা কি বৈধ?’

রাষ্ট্রদূত বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোকে ইরান সফরের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মতো করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

"বাংলাদেশের মানুষ ইরানের জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি (ইরানের রাষ্ট্রদূত)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর (সেমিনার তারিখ), ৫২ (জাতিসংঘ সনদের অনুচ্ছেদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖