📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ভূগর্ভস্থ নির্মাণের প্রমাণ: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর অবকাঠামো শক্তিশালী করছে দেশ

স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ভূগর্ভস্থ নির্মাণের প্রমাণ: মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর অবকাঠামো শক্তিশালী করছে দেশ

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন ভূগর্ভস্থ নির্মাণ ও মেরামতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলোকে আরও শক্তিশালী করার জন্য ইরান ভূগর্ভে অবকাঠামো সরিয়ে নিচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা দাবি করেছেন

ইরানের সামরিক অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দেশটি স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে ভূগর্ভস্থ নির্মাণের কাজে জড়িত। মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোকে পুনরুদ্ধার ও মেরামতের পাশাপাশি নতুন ভূগর্ভস্থ স্থাপনার নির্মাণ চলছে। ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমএআইএআর-এর বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **স্যাটেলাইট চিত্রে** ইরানের অন্তত ১২টি সামরিক স্থাপনায় মেরামত ও নতুন নির্মাণের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে রয়েছে রাজধানী তেহরানের নিকটবর্তী কারাজের গারমদারেহ ও উত্তরের শাহরৌদ ঘাঁটি।
  • 📌 **পশ্চিম ইরানের কেরমানশাহ ঘাঁটিতে** ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর নতুন ছাদ নির্মিত হয়েছে, যেখানে পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার মেরামত করা হয়েছে।
  • 📌 **বিশ্লেষকদের মতে**, ইরান ভূগর্ভে অবকাঠামো সরিয়ে নিচ্ছে "আরও হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য"।
  • 📌 **যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায়** ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ক্ষমতা "উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস" পেয়েছে বলে দাবি করা হলেও, ইরান দাবি করে তাদের কাছে "বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ" রয়েছে।
  • 📌 **মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স** বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের ওপর পুনরায় হামলা করার সম্ভাবনা কমেছে, কারণ রিপাবলিকানদের খারাপ ফলাফল "আগামী ছয় বছরের জন্য" সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমএআইএআর-এর বিশ্লেষকরা নভেম্বর মাসে তোলা স্যাটেলাইট চিত্র পর্যালোচনা করে জানিয়েছেন, ইরানের অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে নতুন নির্মাণকাজ চলছে। তেহরানের নিকটবর্তী কারাজের গারমদারেহ সামরিক ঘাঁটি ও উত্তরের শাহরৌদ ঘাঁটিতে খনন ও নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়াও, ইরাক সীমান্তের কাছে পশ্চিম ইরানের কেরমানশাহ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর নতুন ছাদ তৈরি করা হয়েছে।

পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে, যা একের পর এক বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বারবার মেরামত করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলেছেন, পারচিনের তালেঘান ২ স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার কংক্রিট দিয়ে শক্তিশালী করা হয়েছে।

ইরান বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সিআইএ-র সাবেক বিশ্লেষক জিম ল্যামসন বলেছেন, শাহরৌদের কাছে খননকাজ সম্ভবত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শাহরৌদের নিকটবর্তী বিমান ঘাঁটিটি একাধিকবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, তাই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) ভূগর্ভে উৎপাদন কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং আইরিশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান মার্ক মেলেত বলেছেন, ভূগর্ভস্থ স্থাপনা নির্মাণের সুবিধা হলো, এটি বাইরের পর্যবেক্ষকদের জন্য এর পরিধি এবং কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা আরও কঠিন করে তোলে। তিনি বলেছেন, "বাইরের পর্যবেক্ষকদের জন্য এর পরিধি এবং কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা আরও কঠিন করে তোলে"।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হলেও, ইরান দাবি করে তাদের কাছে বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়েছে। পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র "ইরানের ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং নৌ-শিল্প ভিত্তির ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ধ্বংস করে দিয়েছে" এবং দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে।

"আরও হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য ইরানের অবকাঠামো ভূগর্ভে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রবণতা রয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরানের তেহরান, কারাজ, শাহরৌদ, পারচিন, কেরমানশাহ, ইরাক সীমান্ত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিম ল্যামসন (সিআইএ বিশ্লেষক), মার্ক মেলেত (প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক), জেডি ভ্যান্স (মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি সামরিক স্থাপনা, ২টি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖