📌 ইরানের কট্টরপন্থী পার্লামেন্ট বিদেশি অনুপ্রবেশ বিরোধী একটি বিতর্কিত আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে, যার লক্ষ্য শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক খাতে বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা। আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে
ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র – ইরানের কট্টরপন্থী নিয়ন্ত্রিত পার্লামেন্ট বিদেশি অনুপ্রবেশ বিরোধী একটি বিতর্কিত আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে, যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক খাতে বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। গত বছরের ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধের পর জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারে গোয়েন্দাবিরোধী একটি কঠোর আইন পাস হওয়ার পরিপূরক হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানের পার্লামেন্ট বিদেশি অনুপ্রবেশ বিরোধী আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে, যার লক্ষ্য শিক্ষা, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক খাতে বিদেশি প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করা।
- 📌 আইনের খসড়ায় বিদেশি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব রয়েছে, যার মধ্যে প্রকাশনা, গবেষণা সহযোগিতা ও গণমাধ্যম কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সর্বোচ্চ নজরদারির তালিকায় রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- 📌 বিদেশি সমর্থিত কর্মশালা বা প্রশিক্ষণ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
- 📌 শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে পাঠ্যপুস্তকে ‘শত্রু অনুপ্রবেশ’ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইরানের পার্লামেন্টের কট্টরপন্থী সদস্যরা রবিবার দূরবর্তী অধিবেশনে অনুমোদিত আইনের খসড়াটি জনগণ, বিশেষজ্ঞ ও সরকারের অভ্যন্তরীণ মহলের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। খসড়াটি চূড়ান্ত আইনে পরিণত হওয়ার আগে পার্লামেন্টের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং ১২ সদস্যেরGuardian Council-এর অনুমোদন প্রয়োজন, যা কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর্যন্ত সময় নিতে পারে।
আইনের খসড়ায় বিদেশি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। প্রকাশনা, পরিসংখ্যান, বৃত্তি, বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা, গণমাধ্যম কর্মকাণ্ড, গবেষণা নমুনা, অর্থ, পণ্য ও সেবা, আইনি পরামর্শ এবং শিল্প উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সর্বোচ্চ নজরদারির তালিকায় রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিদেশি সমর্থিত কর্মশালা, কোর্স বা ক্লাস আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের কারাদণ্ড এবং সংগঠকদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এনজিও, দল ও সংগঠনগুলোকে বিদেশি তহবিল, চুক্তি, প্রশিক্ষণ বা অন্যান্য সুবিধা নিবন্ধন করতে হবে, অন্যথায় তাদের বিলুপ্ত করা হতে পারে। বিদ্যমান বিদেশি সংযুক্ত কর্মকাণ্ডগুলোকে তিন মাসের মধ্যে একটি পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে।
শিক্ষা, বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কাউন্সিল অব দ্য কালচারাল রেভোলিউশনের সঙ্গে সমন্বয় করে পাঠ্যপুস্তকে ‘শত্রু অনুপ্রবেশ’ বিষয়ক সচেতনতা ও গণমাধ্যম সাক্ষরতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা সহযোগিতার জন্য নিবন্ধন ও পূর্বানুমতি প্রয়োজন হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
"বিদেশি অনুপ্রবেশ বিরোধী আইনটি ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ দিন, ১৯ অনুচ্ছেদ, ৩৩ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!