📌 ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইলের পাল্লা সীমা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি জানান, এখন থেকে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে এই পদক্ষেপ।
ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শনিবার (৭ নভেম্বর) তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন। আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি জানান, এখন থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ নভেম্বর তেহরানে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি ঘোষণা দেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে
- 📌 ইরান আগে থেকে ঘোষণা করেছিল, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা দুই হাজার কিলোমিটার সীমাবদ্ধ রাখবে — এখন সেটি আর মানা হবে না
- 📌 মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ, আরব উপদ্বীপ, মিসরের বড় অংশ এবং গ্রিস-বলকান অঞ্চল থেকে ইউরোপের বিস্তৃত এলাকা এখন ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের আওতায় আসতে পারে
- 📌 ২০২৬ সালের মার্চে ইরান থেকে চার হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য যৌথ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা প্রকাশিত হয়েছিল — যা ঘোষিত সীমার চেয়ে বেশি দূরত্বে আঘাতের সম্ভাবনা দেখিয়েছিল
- 📌 ইরানের মহাকাশ প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে কাজে লাগতে পারে — তবে সঠিক নির্দেশনা ও পুনঃপ্রবেশ সক্ষমতা প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) শনিবার (৭ নভেম্বর) তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, “ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর থাকা সীমাবদ্ধতা আর থাকবে না। তবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের নির্দিষ্ট পাল্লা বা সময়সীমা সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
এই ঘোষণার পেছনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। খামেনি কয়েক দিন আগে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি নতুন করে কোনো ধরনের হামলা চালায়, তাহলে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই জবাব দেওয়া হবে। তার এই বক্তব্যের পরেই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা নিয়ে আইআরজিসির নতুন ঘোষণা এলো।
ইরান আগে থেকে ঘোষণা করেছিল, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা দুই হাজার কিলোমিটার সীমাবদ্ধ রাখা হবে। এই সীমার মধ্যে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশ, আরব উপদ্বীপ, মিসরের বড় অংশ এবং গ্রিস ও বলকান অঞ্চলের কিছু এলাকা রয়েছে। তবে পাল্লা আরও বাড়ানো হলে ইউরোপের বিস্তৃত অঞ্চল ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসতে পারে।
২০২৬ সালের মার্চে ইরান থেকে ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনা প্রকাশিত হয়েছিল। ঘাঁটিটির দূরত্ব ছিল প্রায় চার হাজার কিলোমিটার। যদিও ক্ষেপণাস্ত্র দুটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারেনি, তবে ঘটনাটি ইরানের ঘোষিত সীমার চেয়ে বেশি দূরত্বে আঘাত হানার সম্ভাবনা দেখিয়েছিল।
"ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার ওপর থাকা সীমাবদ্ধতা আর থাকবে না"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেহরান (ইরান), দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপ (ভারত মহাসাগর), যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য যৌথ সামরিক ঘাঁটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি (আইআরজিসি মুখপাত্র), আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০ কিলোমিটার (পূর্ব সীমা), ৭ নভেম্বর ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!