📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা: যুক্তরাষ্ট্র আরব সাগর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাবে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা: যুক্তরাষ্ট্র আরব সাগর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাবে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আরব সাগর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, পশ্চিমাদের এই অঞ্চলে থাকা তাদের নিজস্ব ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্রকে আরব সাগর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে বাধ্য হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। আজ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এই কথা বলেছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পর থেকে প্রথমবারের মতো তিনি এই বিবৃতি দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আরব সাগর থেকে দ্রুত বেরিয়ে যেতে বাধ্য হবে
  • 📌 তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির রক্ষীদের কাছে পশ্চিমাদের ‘চপেটাঘাত’ খাওয়ায় তারা আর সামনে এগোনোর সাহস পাচ্ছে না
  • 📌 ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত চলছে
  • 📌 যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের উৎপাদিত জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো
  • 📌 ইরান হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে, ওয়াশিংটনও পাল্টা অবরোধ ঘোষণা দেয়

📰 বিস্তারিত

মোজতবা খামেনি তার বিবৃতিতে বলেন, ‘আজ হরমুজ প্রণালির দুঃসাহসী রক্ষীদের কাছে শত্রুরা চপেটাঘাত খেয়ে আরব সাগরের সীমানা পেরিয়ে আর সামনে এগোনোর সাহস পাচ্ছে না।’ তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করলেও পশ্চিমাদের উদ্দেশ্য করেই এসব কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘তারা যখনই এই ঝুঁকি নেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছে, কেবল নিজেদেরই ক্ষতি ডেকে এনেছে। খুব বেশি দিন বাকি নেই, যখন আরব সাগরও তাদের উপস্থিতি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে।’

আরব উপদ্বীপ থেকে ভারতের দিকে বিস্তৃত আরব সাগর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডর। এটি ইরানের উপকূল এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালির দিকে চলে গেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়। তারপর থেকেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত চলছে।

বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরও উল্লেখ করেছেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের উৎপাদিত জ্বালানি তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। তবে যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে। এর জবাবে ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধের ঘোষণা দেয়।

"তারা যখনই এই ঝুঁকি নেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছে, কেবল নিজেদেরই ক্ষতি ডেকে এনেছে। খুব বেশি দিন বাকি নেই, যখন আরব সাগরও তাদের উপস্থিতি থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আরব সাগর, হরমুজ প্রণালি, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোজতবা খামেনি (ইরানের সর্বোচ্চ নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১/৫ (জ্বালানি তেল ও গ্যাসের পরিবহনের শতাংশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖