📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুদ্ধের দামামায় ইরানের জেলেনী খাদিজেহ বান্দারির জীবনে অনিশ্চয়তা আর স্বাভাবিকতা হারানোর গল্প

যুদ্ধের দামামায় ইরানের জেলেনী খাদিজেহ বান্দারির জীবনে অনিশ্চয়তা আর স্বাভাবিকতা হারানোর গল্প

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরানের হেঙ্গাম দ্বীপের জেলেনী খাদিজেহ বান্দারি যুদ্ধের কারণে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়া, পর্যটকদের অনুপস্থিতি এবং অবিরাম বোমাবর্ষণের কারণে তাদের ব্যবসা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হেঙ্গাম দ্বীপের জেলেনী খাদিজেহ বান্দারি জানিয়েছেন, মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তাদের জীবনযাত্রা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাঁর ভাষ্যমতে, সমুদ্র তাঁদের কাছে শুধু জীবিকা নয়, জীবনেরই অংশ ছিল। ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পর্যটকদের অনুপস্থিতিতে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরানের হেঙ্গাম দ্বীপের জেলেনী খাদিজেহ বান্দারি (২৮ বছর) যুদ্ধের কারণে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন
  • 📌 তাঁর মা তাঁকে মাছ ধরা শিখিয়েছিলেন, পরবর্তীতে নিজেই একটি নৌকা কিনে জেলে হিসেবে কাজ শুরু করেন
  • 📌 বিবাহের পর স্বামী কেসম দ্বীপ থেকে হেঙ্গাম দ্বীপে চলে আসেন, এবং তাঁরা একটি অতিথিশালা ও সামুদ্রিক খাবারের রেস্তোরাঁ চালু করেন
  • 📌 ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনলাইনে মাছ বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়, পর্যটকদের অনুপস্থিতিতে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়
  • 📌 ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বোমাবর্ষণের কারণে দ্বীপবাসীদের জীবনযাত্রা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে
  • 📌 যুদ্ধের কারণে মাছ ধরা ও পর্যটন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, দ্বীপবাসীদের অনেকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বাধ্য হন

📰 বিস্তারিত

খাদিজেহ বান্দারি জানান, তাঁর পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তাঁর মা তাঁকে ছোটবেলা থেকেই মাছ ধরা শিখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিজেই একটি নৌকা কিনে জেলে হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিবাহের পর তাঁর স্বামী উত্তর ইরান থেকে কেসম দ্বীপে থাকতেন। বিবাহের পর তিনি স্বামীর সাথে হেঙ্গাম দ্বীপে চলে আসেন এবং তাঁরা একটি অতিথিশালা ও সামুদ্রিক খাবারের রেস্তোরাঁ চালু করেন। তাঁদের ব্যবসা মূলত সামুদ্রিক মাছ বিক্রি এবং পর্যটকদের জন্য রেস্তোরাঁ পরিচালনা করা ছিল।

তিনি আরও জানান, জানুয়ারি মাসে কয়েক সপ্তাহ ধরে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তাঁদের অনলাইন ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। পর্যটকদের অনুপস্থিতিতে দ্বীপের অর্থনীতি পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ইন্টারনেট চালু হওয়ার পর তাঁরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আশা করেছিলেন, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার তাঁর মা সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন, এমন সময় তিনি চিৎকার করে বলেন, "যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।" কিছুক্ষণের মধ্যেই হেঙ্গাম দ্বীপে মার্কিন বোমার বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তাঁদের কাছাকাছি একটি গ্রামে বোমা হামলা হয়।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দ্বীপবাসীদের জীবনে অনিশ্চয়তা নেমে আসে। উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত তাঁদের ঘরবাড়ি বোমা হামলার ঝুঁকিতে থাকায় অনেকেই দ্বীপ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন। খাদিজেহ ও তাঁর পরিবারও নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের তিন বছর বয়সী ছেলে কিহানকে নিয়ে তাঁরা কেসম দ্বীপে তাঁর বোনের বাড়িতে আশ্রয় নেন। যুদ্ধের কারণে মাছ ধরা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়, পর্যটকদের অনুপস্থিতিতে তাঁদের ব্যবসা প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।

"যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইরানের হেঙ্গাম দ্বীপ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খাদিজেহ বান্দারি (২৮ বছর)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖