📌 নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা ও আলোর প্রভাব বিবেচনায় রাখা জরুরি। ঘুমের সময়সূচি ঠিক রাখতে পারলে অ্যালার্মের ওপর নির্ভরতা কমে
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে শরীর ও মন দুটোই সুস্থ থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা এবং আলোর প্রভাব বিবেচনায় রাখা জরুরি। ঘুমের সময়সূচি ঠিক রাখতে পারলে অ্যালার্মের ওপর নির্ভরতা কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস ডালাসের সেন্টার ফর ব্রেইন হেলথের সহকারী অধ্যাপক ইটি বেন সাইমন বলেন, "আট ঘণ্টা মাঝামাঝি একটি মান, কিন্তু কেউ সাত ঘণ্টাতেও ভালো থাকে, আবার কারও নয় ঘণ্টা প্রয়োজন হয়।"
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আদর্শ ঘুমের সময়সীমা সাত থেকে নয় ঘণ্টা পর্যন্ত
- 📌 ঘুম থেকে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণে আলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
- 📌 নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চললে শরীর নিজেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে
- 📌 রাতে মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়াতে আলোর তীব্রতা কমানো প্রয়োজন
- 📌 ঘুমের আগে শান্ত হওয়ার রুটিন অনুসরণ করা উচিত
📰 বিস্তারিত
ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম সেট করা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালার্ম ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে প্রশিক্ষিত করা। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের স্লিপ অ্যান্ড সার্কাডিয়ান রিসার্চ ল্যাবের সহ-পরিচালক হেলেন বার্গেস বলেন, "আপনি যেন মোটামুটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং সেটি এতটাই আগে হয় যে আপনার প্রয়োজনীয় আট ঘণ্টা ঘুম পূরণ করা সম্ভব হয়– সেটা নিশ্চিত করতে হবে।"
বিশেষজ্ঞদের মতে, আলো ঘুম ও জেগে ওঠার সংকেত দেওয়া হরমোনগুলোকে সক্রিয় করে। রিজেন্ট ইউনিভার্সিটি লন্ডনের মনোবিজ্ঞানী ও ঘুম বিশেষজ্ঞ আনা জয়েস বলেন, "সার্কাডিয়ান ঘড়ির সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক হলো আলো। এটি মেলাটোনিনকে বন্ধ হতে বলে এবং জানায় যে জেগে ওঠার সময় হয়েছে।" গবেষণায় দেখা গেছে, উজ্জ্বল সকালের আলো স্বাস্থ্যকর মাত্রায় সেরোটোনিন সরবরাহ করে, যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ঘুমের আগে শরীরকে প্রস্তুত করতে দুই ঘণ্টা আগে থেকে শান্ত হওয়ার রুটিন অনুসরণ করা উচিত। এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, যেমন সন্ধ্যার ত্বক পরিচর্যা বা দাঁত ব্রাশ করা। আলোর তীব্রতা কমানোও জরুরি, কারণ এটি শরীরকে মেলাটোনিন উৎপাদনের সংকেত দেয়। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সচেতন থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত গরমে ঘুম ব্যাহত হতে পারে বলে ফ্যান বা এসি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
"এই নিয়মিত রুটিনের প্রতিক্রিয়া শরীর পায় এবং প্রায়ই আমরা এই রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে শরীর নিজে থেকেই শিথিল হতে শুরু করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইটি বেন সাইমন, হেলেন বার্গেস, আনা জয়েস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মিনিট, ২০ শতাংশ, ২৪ ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!