📌 ভারতের নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকে মূল নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মিতাব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলদ্বয়কে বিকল্প প্রতীক বেছে নিতে বাধ্য করা হয়েছে
ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকে মূল নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কমিশন একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মিতাব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরকে শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে তাদের নিজস্ব দলের জন্য বিকল্প নাম ও প্রতীক প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর ভারতের নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকে মূল নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধ জারি করেছে।
- 📌 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মিতাব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন দুই শিবিরকে ১৮ পৃষ্ঠার নির্দেশ অনুসারে বিকল্প প্রতীক বেছে নিতে হবে।
- 📌 ৬ অক্টোবর নির্ধারিত উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনেই এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- 📌 ১২ সেপ্টেম্বর শুনানির পর মিতাব্রত শিবিরকে অতিরিক্ত নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।
- 📌 ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কমিশন দুই পক্ষের অধিকার রক্ষার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
দিল্লিতে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি ভিন্ন গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই নিজেদের মূল দল বলে দাবি করায় কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়। নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, কোনও গোষ্ঠীই দলের নাম 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' এবং প্রতীক 'জোড়া ফুল' ব্যবহার করতে পারবে না। তারা চাইলে নতুন নামের সঙ্গে মূল দলের নামের যোগসূত্র রাখতে পারবে।
কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছেন, 'এই পদক্ষেপকে ভারতের গণতন্ত্রের হৃদয়ে গুলি চালানোর সমতুল্য।' তিনি আরও বলেন, 'শিবসেনা ও এনসিপির পর এবার তৃণমূলের ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করল। যারা বিজেপির বিরোধিতা করে, তাদেরই চরম আঘাত করা হয়।' তিনি তৃণমূলের প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এই নির্দেশের আগে ২০২৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শুনানির পর মিতাব্রত শিবিরকে অতিরিক্ত নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। আগামী ৬ অক্টোবর নির্ধারিত উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনেই কমিশনের এই নির্দেশ প্রকাশ পেয়েছে।
"এই পদক্ষেপকে ভারতের গণতন্ত্রের হৃদয়ে গুলি চালানোর সমতুল্য। শিবসেনা ও এনসিপির পর এবার তৃণমূলের ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করল। যারা বিজেপির বিরোধিতা করে, তাদেরই চরম আঘাত করা হয়।"
কে সি বেণুগোপাল, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মিতাব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, কে সি বেণুগোপাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১১ টা, ১২ সেপ্টেম্বর, ৬ অক্টোবর, ১৮ পৃষ্ঠা, ১৫ নম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!