📌 অরুণাচল প্রদেশে চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের দাবি অস্বীকার করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজ্জু। তিনি জানান, সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণে দেরি হওয়ায় চীন সুবিধা নিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ থেকে ভুল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগও করেছেন তিনি
ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজ্জু অরুণাচল প্রদেশে চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ভারতীয় ভূখণ্ডে চীন ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবেশ করেছে বলে যে দাবি উঠেছে তা ‘ভুল তথ্য’। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভুল ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের দাবি অস্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজ্জু
- 📌 অরুণাচলের আপার সুবানসিরি জেলায় চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের অভিযোগ উঠেছিল
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, চীনা সেনারা এলএসি অতিক্রম করে তাসিং সার্কেলে প্রবেশ করেছে
- 📌 রিজ্জু বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভুল ভিডিও ও দাবি ছড়ানো হচ্ছে
- 📌 ভারত সরকার সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণে দেরি হওয়ায় চীন সুবিধা নিয়েছে বলে জানান তিনি
📰 বিস্তারিত
অরুণাচল প্রদেশের ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজ্জু। তিনি জানান, অরুণাচলের আপার সুবানসিরি জেলায় চীনা সেনাদের অনুপ্রবেশের যে অভিযোগ উঠেছে তা ‘ভুল তথ্য’। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, চীনা সেনারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) অতিক্রম করে তাসিং সার্কেলের কয়েকটি এলাকায় প্রবেশ করেছে। তবে রিজ্জু বলেন, ‘চীন ভারতের ৬০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে বলে দাবি করা ভুল।’
তিনি আরও জানান, অরুণাচলে ভারত ও চীনের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং অনেক অংশই স্পষ্টভাবে চিহ্নিত নয়। রিজ্জু বলেন, ‘ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমান্ত কখনোই নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়নি।’ তবে কিছু এলাকায় চীনের তৎপরতা বেড়েছে বলে স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলেও জানান তিনি।
একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকেও ভুল ভিডিও ও দাবি ছড়ানো হচ্ছে, যা ঠিক নয়।’ এ ধরনের ভুল তথ্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল কমিয়ে দিতে পারে এবং দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
"ভারত ও তিব্বতের মধ্যকার সীমান্ত কখনোই নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। কিছু এলাকায় চীনের তৎপরতা বেড়েছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বাংলাদেশ থেকেও ভুল ভিডিও ও দাবি ছড়ানো হচ্ছে, যা ঠিক নয়।" — কিরেন রিজ্জু, কেন্দ্রীয় সংসদবিষয়ক মন্ত্রী
রিজ্জু আরও বলেন, মূল সমস্যার একটি বড় অংশ হলো সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণে দেরি হওয়া। তিনি জানান, ‘সেই সময় ভারতে কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল। তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি সংসদে বলেছিলেন, সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণ না করাই ভারতের নীতি ছিল। অন্যদিকে চীন সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ চালিয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। এরপর ভারত সরকার সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। রিজ্জুর দাবি, বর্তমান সরকার এমন অনেক দুর্গম সীমান্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণ করেছে, যেখানে ১৯৪৭ সালের পর থেকে কোনো ধরনের উন্নয়ন হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন একটি সড়ক নির্মাণ করতে ব্যর্থ হয়েছি, তখন চীন সেই সড়ক নির্মাণে সফল হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অরুণাচল প্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিরেন রিজ্জু, কেন্দ্রীয় সংসদবিষয়ক মন্ত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!