📌 ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ তুলেছে দেশটির সরকার। চীনা সেনাবাহিনীর বাধার মুখে ভারতীয় সেনারা সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ টহল পয়েন্টে প্রবেশ করতে পারছে না বলে দাবি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এলেও দুই দেশই বিষয়টি অস্বীকার করেছে
ভারতের অরুণাচল প্রদেশের কিছু ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে চীন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টহল পয়েন্টে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না চীনা সেনারা বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকারের মিত্র আঞ্চলিক রাজনীতিবিদদের একটি অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ভূখণ্ড দখলের অভিযোগ চীনের বিরুদ্ধে
- 📌 চীনা সেনাবাহিনীর বাধায় ভারতীয় সেনারা সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ টহল পয়েন্টে প্রবেশ করতে পারছে না
- 📌 অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে দাবি: স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে সংঘর্ষের পর ভারতীয় বাহিনী শেরা-৫ টহল পয়েন্ট ছেড়ে দেয়
- 📌 ভারত ও চীনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বিতর্কিত সীমান্ত রয়েছে
- 📌 দুই দেশের মধ্যে ৩৬তম সীমান্তবিষয়ক বৈঠক হয়েছে গত সপ্তাহে
📰 বিস্তারিত
ভারতের সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্গত অরুণাচল প্রদেশের কিছু ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছে চীন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, চীনা সেনাবাহিনীর বাধার মুখে নিজেদের সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টহল পয়েন্টে প্রবেশ করতে পারছে না তারা। সম্প্রতি প্রকাশিত অনুসন্ধানী দলের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের পর ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের একটি টহল পয়েন্ট শেরা-৫ ছেড়ে দেয়। পিপলস পার্টি অব অরুণাচলের সহসভাপতি কালিং জেরাং বলেন, পূর্বপুরুষদের সময় থেকে ব্যবহৃত শিকারের জমি হারানোর ঘটনায় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ।
ভারত ও চীনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যার বড় অংশই বিতর্কিত। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা কোথায়— তা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। গত সপ্তাহে দুই দেশ চীন-ভারত সীমান্তবিষয়ক ৩৬তম বৈঠক করেছে। দুই পক্ষ কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা যৌথভাবে রক্ষা করতে সম্মত হয়েছে।
"ভারত সবসময় চীনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় জোর দিয়ে এসেছে যে, সীমান্তসংক্রান্ত বিষয়গুলোকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করি এবং এসব এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। আমরা এটিও বলেছি যে, সীমান্ত পরিস্থিতি আমাদের বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে।"
ভারতীয় সেনাবাহিনী এসব অভিযোগকে ‘ভুল এবং সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তুলনামূলকভাবে কম দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লি সবসময় চীনা পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় জোর দিয়ে এসেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: অরুণাচল প্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার (ভারত-চীন সীমান্ত দৈর্ঘ্য), ৩৬ (সীমান্ত বৈঠকের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!