📌 ভারতের তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান সৌন্দর্যপণ্যের চাহিদা দেশটির বিউটি বাজারে বিপ্লব ঘটাচ্ছে। জেনারেশন জেডের নেতৃত্বে ফরেস্ট এসেনশিয়ালসসহ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। ২০২৫ সালে ভারতের সৌন্দর্যবাজারের আকার ছিল প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার।
ভারতের তরুণ প্রজন্মের জীবনধারা ও সৌন্দর্যচর্চার প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ দেশটির বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার খাতকে দ্রুত সম্প্রসারণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জেনারেশন জেড বা জেন-জি এখন এই বাজারের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দেশটির সৌন্দর্যবাজারের প্রতি বিশ্বের বড় বড় প্রসাধনী কোম্পানিগুলোরও আগ্রহ বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রসাধনী কোম্পানি ‘এস্তি লডার’ মার্চে ভারতের আয়ুর্বেদভিত্তিক ব্র্যান্ড ‘ফরেস্ট এসেনশিয়ালস’ পুরোপুরি অধিগ্রহণ করে
- 📌 ফ্রান্সের ল’রিয়াল গ্রুপ জুনে ডিজিটাল পার্সোনাল কেয়ার ব্র্যান্ড ইনোভিস্ট-এর সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা কিনে নেয়
- 📌 ইউনিলিভার ভারতে চারটি সৌন্দর্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে
- 📌 ২০২৫ সালে ভারতের সৌন্দর্যবাজারের আকার ছিল প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার
- 📌 জেন-জি মিলেনিয়ালদের তুলনায় স্কিন কেয়ার ও পার্সোনাল কেয়ারে প্রায় দ্বিগুণ ব্যয় করছে
📰 বিস্তারিত
ভারতের তরুণ প্রজন্মের ক্রমবর্ধমান সৌন্দর্যপণ্যের চাহিদা দেশটির বিউটি বাজারে বিপ্লব ঘটাচ্ছে। জেনারেশন জেডের নেতৃত্বে ফরেস্ট এসেনশিয়ালসসহ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। দেশটির সৌন্দর্যবাজারের প্রতি বিশ্বের বড় বড় প্রসাধনী কোম্পানিগুলোরও আগ্রহ বেড়েছে।
চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের বিলাসবহুল প্রসাধনী কোম্পানি ‘এস্তি লডার’ ভারতের আয়ুর্বেদভিত্তিক ব্র্যান্ড ‘ফরেস্ট এসেনশিয়ালস’ পুরোপুরি অধিগ্রহণ করে। এর আগে জুনে ফ্রান্সের ল’রিয়াল গ্রুপ ডিজিটাল পার্সোনাল কেয়ার ব্র্যান্ড ইনোভিস্ট-এর সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা কিনে নেয়। অন্যদিকে, ইউনিলিভারও গত কয়েক বছরে তাদের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিভাগের মাধ্যমে ভারতে অন্তত চারটি সৌন্দর্যবিষয়ক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে।
হিমালয়ের পাদদেশে একটি গ্যারেজ থেকে উদ্যোক্তা মীরা কুলকার্নির হাতে যাত্রা শুরু হয়েছিল ‘ফরেস্ট এসেনশিয়ালস’-এর। দুই সন্তানের একক মা কুলকার্নি প্রায় দুই দশকে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি বৈশ্বিক পরিচিতি সহ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতে পরিণত করেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানের এই সাফল্য ভারতের সামগ্রিক বিউটি শিল্পের বিস্ফোরক প্রবৃদ্ধিরই প্রতিচ্ছবি।
"ভারতের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে ইন্টারনেট, ই-কমার্স, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইনফ্লুয়েন্সার সংস্কৃতি সৌন্দর্যপণ্যকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে।"
২০২৫ সালে ভারতের সৌন্দর্যবাজারের আকার ছিল প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ। একই সঙ্গে ইন্টারনেট, ই-কমার্স, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইনফ্লুয়েন্সার সংস্কৃতি সৌন্দর্যপণ্যকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে।
একসময় সাধারণ সাবান বা ফেস পাউডারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা ভোক্তারা এখন স্কিন কেয়ার, নির্দিষ্ট উপাদানভিত্তিক পণ্য, ব্রণ নিয়ন্ত্রণ কিংবা ত্বক উজ্জ্বল করার নানা সমাধান সম্পর্কে সচেতন। Redseer-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের মোট সৌন্দর্য ব্যয়ের প্রায় ৩৫ শতাংশ আসবে ই-কমার্স থেকে। পাঁচ বছর আগে এই হার ছিল মাত্র ৮ শতাংশ।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মীরা কুলকার্নি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই হাজার কোটি ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!