📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাকিস্তানের কারাগারে ইমরান খানের বিরুদ্ধে দশ মাস ধরে নির্যাতনের অভিযোগ তার বোনের

পাকিস্তানের কারাগারে ইমরান খানের বিরুদ্ধে দশ মাস ধরে নির্যাতনের অভিযোগ তার বোনের

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগারে দশ মাস ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বোন উজমা খান। তিনি জানান, ইমরান তার সঙ্গে দেখা করতে আসা কর্মকর্তাদের দ্বারা বারবার দেরির শিকার হন এবং তার চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে কারাগারে দশ মাস ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বোন উজমা খান। ইসলামাবাদের কে-পি হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইমরান খানকে কারাগারে দশ মাস ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ তার বোন উজমা খানের
  • 📌 ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে কর্মকর্তাদের দ্বারা বারবার দেরির শিকার হন উজমা খান
  • 📌 ইমরান খান তার চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানান উজমা
  • 📌 ইমরান খানের রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলেও চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন
  • 📌 ইমরান খান তার কারাবন্দি জীবনের সঙ্গে মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির বন্দিত্বের তুলনা করেছেন বলে অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগারে দশ মাস ধরে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বোন উজমা খান। তিনি জানান, ইমরান তার সঙ্গে দেখা করতে আসা কর্মকর্তাদের দ্বারা বারবার দেরির শিকার হন এবং তার চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইসলামাবাদের কে-পি হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

উজমা খান বলেন, ইমরান তাকে জানিয়েছেন যে গত দশ মাস ধরে তার সঙ্গে খুবই অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। তিনি সবার কাছে এই অন্যায় ও নির্যাতনের কথা জানাতে ইমরান তাকে অনুরোধ করেছেন বলে জানান উজমা। তবে তিনি দাবি করেন যে ইমরানের শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, ইমরান পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন।’ চিকিৎসাকর্মীরা তার রক্তচাপ মেপেছেন এবং তা ১২০/৮০ ছিল বলে জানান তিনি।

উজমা খান জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে ডেকে পাঠানো হয়। প্রথমে তাকে পুলিশের উপপরিদর্শক সাকলায়েনের কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে একটি ছোট গাড়িতে করে তাকে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছে ওপরে যাওয়ার পর তিনি ইমরানকে দেখতে পান। উজমার ভাষ্য অনুযায়ী, ইমরান সেখানে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখিয়ে বলেন, প্রায় দশ মাস পর তার বোন তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন।

উজমা বলেন, সাক্ষাতের সময় কর্মকর্তারা নানা কারণ দেখিয়ে দেরি করছিলেন। তাকে ও অন্যদের বারবার বিভিন্ন জায়গায় বসিয়ে রাখা হচ্ছিল। তার মনে হচ্ছিল, কর্মকর্তারা শুধু সময় পার করছেন। চিকিৎসা পরীক্ষার সময় ইমরানের চোখের চিকিৎসা নিয়েও কথা হয়। উজমার দাবি, চিকিৎসাকর্মীরা তার চোখের ড্রপ সম্পর্কে জানতে চান। পরে একটি চোখে চিকিৎসা প্রক্রিয়া করা হয় এবং সেখানে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। এরপর অন্য চোখটি ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পুরো সময় তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা কর্মকর্তারা জানাননি বলে অভিযোগ করেন উজমা। তিনি বলেন, তিনি বারবার গন্তব্যের কথা জানতে চাইলেও কেউ তাকে উত্তর দেননি। তাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এ প্রশ্নেরও কোনো উত্তর পাননি। পরে আরিফ নামের একজন চিকিৎসক তার সঙ্গে পরিচিত হন বলে জানান উজমা।

"ইমরান বলেছেন, তাকে যেভাবে একাকী বন্দি রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে, মুরসিকেও একইভাবে বন্দি রাখা হয়েছিল এবং পরে তিনি মারা যান। একজন চিকিৎসক বলেছেন, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকার কারণে তার রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে।"

ফজরের আজানের সময়ের দিকে ইমরানের সঙ্গে উজমার সাক্ষাৎ শেষ হয়। এরপর তাকে আবার আদিয়ালা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. ফয়সাল সুলতানও আলাদা গাড়িতে করে কারাগারে পৌঁছান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান খান, উজমা খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ১২০/৮০, ১৪ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖