📌 ভারতে মাত্র ২০ রুপি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলার ৩০ বছরের আইনি লড়াই অবসান হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দুই সরকারি কর্মচারীকে খালাস দিয়েছেন, কারণ ঘুষ দাবির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভারতে মাত্র ২০ রুপি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলার ৩০ বছরের আইনি লড়াই অবসান হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দুই সরকারি কর্মচারীকে খালাস দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, ঘুষ দাবির বিষয়টি প্রমাণিত না হলে শুধুমাত্র অভিযুক্তের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের ভিত্তিতে দণ্ড বহাল রাখা যায় না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতে ২০ রুপির ঘুষ মামলায় ৩০ বছরের আইনি যুদ্ধ শেষে দুই সরকারি কর্মচারী খালাস
- 📌 সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, ঘুষ দাবির প্রমাণ না থাকলে শুধুমাত্র টাকা উদ্ধারের ভিত্তিতে দণ্ড বহাল রাখা যায় না
- 📌 মামলার ঘটনা ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঘটেছিল বলে জানা যায়
- 📌 অভিযুক্তরা ছিলেন একজন ক্লার্ক ও একজন পিয়ন
- 📌 শিক্ষাগত সুবিধা পাওয়ার জন্য আয় সনদ নিতে গিয়ে অভিযোগটি ওঠে
📰 বিস্তারিত
ভারতের গুজরাটের দুই সরকারি কর্মচারীকে খালাস দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া ও বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকরের বেঞ্চ মামলাটির রায় দেন। মামলাটির সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আনন্দ জেলার বেচারি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে শিক্ষাগত সুবিধা পাওয়ার জন্য আয় সনদ নিতে গিয়েছিল এক শিক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, সনদ দেওয়ার বিনিময়ে ক্লার্ক ওই শিক্ষার্থীর কাছে ১২০ রুপি দাবি করেন। এর মধ্যে ১০০ রুপি নিজের জন্য এবং ২০ রুপি পিয়নের জন্য চাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। পরে শিক্ষার্থী দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে অভিযোগ করেন।
এরপর এসিবি ফাঁদ পাতে এবং চিহ্নিত ১২০ রুপির নোট দিয়ে শিক্ষার্থীকে অভিযুক্তদের কাছে পাঠায়। আয় সনদ পাওয়ার পর শিক্ষার্থী পিয়নকে ২০ রুপি দেন। অভিযান চালিয়ে ওই টাকা পিয়নের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে ক্লার্কের কাছে ১০০ রুপি পাওয়া যায়নি। আদালত আরও জানতে পারেন, অন্য এক ঘটনায় শিক্ষার্থী দাবি করেছিলেন, প্রথমে ২০০ রুপি ঘুষ চাওয়া হয়েছিল এবং পরে ১২০ রুপিতে সমঝোতা হয়।
বিচারিক আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে এমন তথ্য ছিল না। আদালতের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এসিবি শিক্ষার্থীকে ঘুষ দাবি করা হলে পুরো ১২০ রুপি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। অথচ তিনি শুধু ২০ রুপি পিয়নকে দেন। ক্লার্ক তখন পিয়নের পাশেই ছিলেন, তবু কেন বাকি টাকা দেওয়া হলো না, তা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়। জেরার সময় শিক্ষার্থী স্বীকার করেন, পিয়ন নিজে তার কাছে কোনো ঘুষ দাবি করেননি।
"ঘুষ দাবি করার বিষয়টি প্রমাণিত না হলে শুধু অভিযুক্তের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের ভিত্তিতে দণ্ড বহাল রাখা যায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুজরাট, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি উজ্জ্বল ভূঁইয়া, বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ রুপি, ৩০ বছর, ১২০ রুপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!