📌 জার্মানির হ্যানোভারে ১১তম আন্তসাংস্কৃতিক গ্রীষ্মকালীন উৎসব উদ্যাপিত হয়েছে। ৬০টি সংগঠনের অংশগ্রহণে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিভিন্ন দেশের কয়েক শত মানুষ। অভিবাসী বিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে বিবেচিত এই আয়োজনে বাংলা, সাম্বা, ইউক্রেনীয়সহ বিভিন্ন দেশের সংগীত ও নৃত্য পরিবেশিত হয়
উত্তর জার্মানির ঐতিহাসিক শহর হ্যানোভারে গত রোববার (২৩ আগস্ট) উদ্যাপিত হয়েছে ১১তম আন্তসাংস্কৃতিক গ্রীষ্মকালীন উৎসব। শহরের মেয়র বেনিট ওনাই উৎসবের উদ্বোধন করে বলেন, বহু জাতি ও সংস্কৃতির মানুষের এই মিলনমেলা সমাজকে আরও সমৃদ্ধ করবে। সাম্প্রতিককালে জার্মানিতে অভিবাসী বিদ্বেষ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই উৎসবকে একধরনের প্রতিবাদ ও সংহতি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হ্যানোভার শহরের বয়স ৮৭৫ বছরের বেশি, যেখানে ১৭৮টি দেশের মানুষ বসবাস করেন
- 📌 ২৩ আগস্ট স্থানীয় ফাউস্ট চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় ১১তম বৈচিত্র্যময় উৎসব
- 📌 উৎসবে অংশ নিয়েছিল ৬০টি সংগঠন, যারা নিজ নিজ সংস্কৃতি তুলে ধরেন
- 📌 অনুষ্ঠানে বাংলা ও ভারতীয় ধ্রুপদি, সাম্বা নাচ, ইউক্রেনীয় সংগীতসহ বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ছিল
- 📌 হ্যানোভার আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মাহজাবিন আহমেদ লিপি অতিথিদের ধন্যবাদ জানান
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি বিগত ৩৬ বছর ধরে অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছে
📰 বিস্তারিত
জার্মানির লোয়ার সাক্সেনি রাজ্যের রাজধানী হ্যানোভার শহরে গত রোববার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয় ১১তম আন্তসাংস্কৃতিক গ্রীষ্মকালীন উৎসব। শহরের ফাউস্ট চত্বরে আয়োজিত এই উৎসবে স্থানীয় ৬০টি সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কয়েক শত মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হ্যানোভার শহরের মেয়র বেনিট ওনাই বলেন, বহু জাতি ও সংস্কৃতির মানুষের এই মিলনমেলা সমাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিককালে জার্মানিজুড়ে অভিবাসী বিদ্বেষ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই আয়োজনকে একধরনের প্রতিবাদ ও সংহতি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
হ্যানোভার শহরে ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল অভিবাসী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান বৃদ্ধি করা। বিগত ৩৬ বছরে প্রতিষ্ঠানটি অভিবাসী ও শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মাহজাবিন আহমেদ লিপি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই ধরনের আয়োজন সমাজে বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরে।
উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বাংলা ও ভারতীয় ধ্রুপদি সংগীত, লাতিন আমেরিকার সাম্বা নাচ ও গান, পোল্যান্ড, রুমানিয়া, রাশিয়া, সার্বিয়া ও ইউক্রেনীয় সংগীতগোষ্ঠীর সমাবেশ ছাড়াও আফগানিস্তান, তুরস্ক, ইরান, ইরাক, আইভরি কোস্ট, মালি, ঘানা, সুদান, সোমালিয়া ও উগান্ডার লোকসংগীত পরিবেশিত হয়।
"এ ধরনের বহু সাংস্কৃতির মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীর এই উৎসব আমাদের সমাজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। সাম্প্রতিককালে জার্মানিজুড়ে অভিবাসী বিদ্বেষের বিরুদ্ধে এই আয়োজন একধরনের প্রতিবাদ ও সংহতি বলে জানান মেয়র বেনিট ওনাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হ্যানোভার শহর, জার্মানি
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মেয়র বেনিট ওনাই, পরিচালক মাহজাবিন আহমেদ লিপি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭৫ বছর (শহরের বয়স), ১৭৮টি দেশ (বাসিন্দা), ১১তম উৎসব, ৬০টি সংগঠন, ৩৬ বছর (প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!