📌 হাইতির সরকার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে আন্তর্জাতিক গ্যাংবিরোধী বাহিনীর মেয়াদ বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে। দেশটিতে চলমান সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রায়না ফরবিন।
হাইতির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত একটি নিরাপত্তা বাহিনীর ম্যান্ডেট নবায়নের জন্য জোরালো দাবি জানিয়েছে। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার এই পদক্ষেপকে অপরিহার্য বলে মনে করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রায়না ফরবিন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে গ্যাং দমন বাহিনীর মেয়াদ বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়েছেন
- 📌 গ্যাং দমন বাহিনীর ম্যান্ডেট আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে
- 📌 চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০৮ জন নিহত ও ৬৫৬ জন আহত হয়েছে
- 📌 দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জোভেনেল মোইসের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে
- 📌 আগামী ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচন নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা
📰 বিস্তারিত
হাইতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রায়না ফরবিন বৃহস্পতিবার আমেরিকান স্টেটস সংস্থার (ওএএস) এক বৈঠকে দেশটির চলমান গ্যাং সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, "আমাদের এমন প্রযুক্তিগত, আর্থিক, লজিস্টিক এবং নিরাপত্তা সহায়তা প্রয়োজন, যা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম। এখন সময় এসেছে সংহতি থেকে কর্মে উত্তরণের।"
এই বৈঠকে ওএএস মহাসচিব আলবার্ট রামডিন জানান, নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশন প্রেরণের মাধ্যমে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ভোটগ্রহণের আগে প্রায় ১০ লাখ পরিচয়পত্র প্রস্তুত ও বিতরণ করতে হবে। রামডিন বলেন, "হাইতি একটি সন্ধিক্ষণে রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব স্পষ্ট: নিরাপত্তা জোরদার করা, নির্বাচনী প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া, বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যেন হাইতির জনগণের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব উন্নতি নিয়ে আসে তা নিশ্চিত করা।"
তবে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিয়ে রয়েছে ব্যাপক সংশয়। অনেক হাইতিবাসীই তাদের দেশে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছেন। এর আগে কেনিয়া নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক নিরাপত্তা সহায়তা দল (এমএসএস) দেশটিতে সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নিলেও অর্থায়ন ও নিয়োগে ব্যর্থ হয়ে এপ্রিল মাসে প্রত্যাহার করে নেয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ২০২৫ সালের অক্টোবরে এমএসএসের পরিবর্তে গ্যাং দমন বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়, যার ম্যান্ডেট ছিল ১২ মাসের জন্য।
"Haiti is at a critical juncture,"
মানবাধিকার কর্মীরা উল্লেখ করেন যে সহিংসতা থেকে পালিয়ে যাওয়া হাইতিবাসীদের আন্তর্জাতিক সহায়তা পর্যাপ্ত নয়। জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা গত সপ্তাহে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে জানান যে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে প্রায় ২ লাখ হাইতিবাসীকে জোরপূর্বক ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ হাজার বেশি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাইতি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রায়না ফরবিন, আলবার্ট রামডিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৪০৮ (নিহত), ৬৫৬ (আহত), ২ লাখ (জোরপূর্বক প্রত্যাবর্তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!