📌 গিনি-বিসাউ সরকার মার্কিন অর্থায়িত হেপাটাইটিস বি টিকা পরীক্ষা বন্ধ করেছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের মধ্যে একটি গ্রুপকে জন্মের পরই টিকা দেওয়া হতো, অন্যগ্রুপকে ছয় সপ্তাহ পর দেওয়া হতো। বৈজ্ঞানিক নৈতিকতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিতর্কের পর সরকার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে
গিনি-বিসাউ সরকার মার্কিন অর্থায়িত একটি বিতর্কিত হেপাটাইটিস বি টিকা পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরীক্ষায় হাজারো শিশুকে জীবনরক্ষাকারী টিকা দেওয়া থেকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে বিশ্বব্যাপী নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। গবেষকদের মতে, এই পরীক্ষার বন্ধ হওয়া আফ্রিকান বিজ্ঞানের জন্য একটি ‘গুরুতর পিছিয়ে পড়া’। গবেষণা পরিচালনা করা গবেষণা দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে টিকা ব্যাচ জব্দ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গিনি-বিসাউ সরকার মার্কিন অর্থায়িত হেপাটাইটিস বি টিকা পরীক্ষা বন্ধ করেছে, যা বিশ্বব্যাপী নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল।
- 📌 পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১৪,০০০ শিশুকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছিল: একটি গ্রুপকে জন্মের পরই টিকা দেওয়া হতো, অন্যগ্রুপকে ছয় সপ্তাহ পর দেওয়া হতো।
- 📌 মার্কিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব রবার্ট এফ কেনেডি এই পরীক্ষার অর্থায়নে জড়িত ছিলেন, যিনি আগে টিকা বিরোধী মত প্রকাশ করেছেন।
- 📌 গবেষণা পরিচালনা করছিল ডেনমার্কের ব্যান্ডিম হেলথ প্রোজেক্ট, যেটি পরিচালনা করছিলেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ক্রিস্টিন স্টাবেল বেন এবং পিটার এবি।
- 📌 তাদের পূর্বের গবেষণায় দেখা গিয়েছিল যে, ডিপথেরিয়া, টেটানাস ও কপার্ক্স (ডিটিপি) টিকা মেয়েদের মৃত্যুর হার বাড়ায়, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দ্বারা নিরসন করা হয়নি।
- 📌 গিনি-বিসাউ সরকার জানুয়ারি মাসে এই পরীক্ষা স্থগিত করে এবং তদন্ত শুরু করে।
- 📌 ডেনমার্কের একটি প্রকাশনা ‘ওয়েকেন্ডাভিসেন’ জানিয়েছে, গবেষকরা একটি গবেষণার শূন্য ফলাফল প্রকাশ করেনি, যা পরে প্রকাশিত হয়।
- 📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই পরীক্ষাকে ‘অনৈতিক’ বলে ঘোষণা করেছে, কারণ শিশুদের জীবনরক্ষাকারী টিকা দেওয়া থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গিনি-বিসাউ সরকার মার্কিন অর্থায়িত একটি বিতর্কিত হেপাটাইটিস বি টিকা পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছে। এই পরীক্ষায় হাজারো শিশুকে জীবনরক্ষাকারী টিকা দেওয়া থেকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে বিশ্বব্যাপী নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। গবেষকদের মতে, এই পরীক্ষার বন্ধ হওয়া আফ্রিকান বিজ্ঞানের জন্য একটি ‘গুরুতর পিছিয়ে পড়া’। গবেষণা পরিচালনা করা গবেষণা দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে টিকা ব্যাচ জব্দ করেছে।
গবেষণা পরিচালনা করছিলেন ডেনমার্কের ব্যান্ডিম হেলথ প্রোজেক্টের বিজ্ঞানী ক্রিস্টিন স্টাবেল বেন এবং পিটার এবি। তারা ১৯৭৮ সাল থেকে গিনি-বিসাউতে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তাদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কিছু টিকা শিশুদের মৃত্যুর হার বাড়াতে পারে। বিশেষ করে, ডিপথেরিয়া, টেটানাস ও কপার্ক্স (ডিটিপি) টিকা মেয়েদের মৃত্যুর হার বাড়ায়, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দ্বারা নিরসন করা হয়নি।
গবেষকদের এই দাবি নিয়ে বিশ্বব্যাপী বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ডেনমার্কের বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণার ফলাফলকে নিরসন করেছেন এবং বলেছেন, গবেষকরা তাদের গবেষণার শূন্য ফলাফল প্রকাশ করেনি। গবেষকদের এই অভিযোগের পর, গবেষণা দলের কার্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে টিকা ব্যাচ জব্দ করেছে। গবেষণা দলের একজন সদস্য বলেছেন, “এই পরীক্ষার বন্ধ হওয়া আফ্রিকান বিজ্ঞানের জন্য একটি গুরুতর পিছিয়ে পড়া”।
গিনি-বিসাউ সরকার জানুয়ারি মাসে এই পরীক্ষা স্থগিত করে এবং তদন্ত শুরু করে। তারা বলেছেন, তারা পরীক্ষাটি তাদের দেশের নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলছে কিনা তা নিশ্চিত করতে তদন্ত করছে। গবেষণা দলের একজন সদস্য বলেছেন, “গবেষণা দলটি তাদের নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলছে, কিন্তু সরকারের তদন্তের কারণে পরীক্ষাটি বন্ধ হয়ে গেছে”।
"এই পরীক্ষার বন্ধ হওয়া আফ্রিকান বিজ্ঞানের জন্য একটি 'গুরুতর পিছিয়ে পড়া'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গিনি-বিসাউ (বিশেষত রাজধানী বিসাউ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টিন স্টাবেল বেন, পিটার এবি, রবার্ট এফ কেনেডি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪,০০০ (শিশু), ১.৬ মিলিয়ন ডলার (মার্কিন অর্থায়ন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!