📌 ফ্রান্সে দুই দাতা-সন্তানের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, কিন্তু পরে জানা যায় তাঁরা সম্ভাব্য সৎ ভাই-বোন। আইনি জটিলতা ও সামাজিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তাঁরা ডিএনএ পরীক্ষা করেন এবং জানতে পারেন তাঁদের মধ্যে কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই
ফ্রান্সে দুই ব্যক্তির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, কিন্তু পরে জানা যায় তাঁরা সম্ভাব্য সৎ ভাই-বোন। রোববার (৩০ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, আর্থার কেরমালভেজেন ও অড্রে নামের দুই ব্যক্তি শুক্রাণু দাতার মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম দেখাতেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সের দুই ব্যক্তির মধ্যে প্রথম দেখাতেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে
- 📌 তাঁরা শুক্রাণু দাতার মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেন, ফলে একই দাতার সন্তান হওয়ার আশঙ্কা ছিল
- 📌 ফ্রান্সের আইনে দাতার পরিচয় গোপন রাখা হয় এবং ব্যক্তিগত জেনেটিক পরীক্ষা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত
- 📌 আইনি লড়াই ও গোপন ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় তাঁদের মধ্যে কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই
- 📌 অড্রে তাঁর জৈবিক বোনকে খুঁজে পান, যিনি আদালতে তাঁর পক্ষে লড়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের দুই ব্যক্তি আর্থার কেরমালভেজেন ও অড্রে শুক্রাণু দাতার মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে প্রথম দেখাতেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে জানান অড্রে। তবে তাঁদের মধ্যে সম্ভাব্য সৎ ভাই-বোন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ফ্রান্সে শুক্রাণু দাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়, এবং ব্যক্তিগত জেনেটিক পরীক্ষা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। ফলে তাঁরা আইনি লড়াই শুরু করেন।
২০১৩ সালে আর্থার ও অড্রে বিবাহের সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু তাঁদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েই যায়। শেষ পর্যন্ত তাঁরা গোপনে জেনেটিক পরীক্ষা করেন এবং জানতে পারেন তাঁদের মধ্যে কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই। তবে তাঁদের জীবনে আরও বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। অড্রে তাঁর জৈবিক বোনকে খুঁজে পান, যিনি আদালতে তাঁর পক্ষে লড়েছিলেন।
অড্রের আইনি লড়াই ফ্রান্সের দাতা-সন্তানদের অধিকার নিয়ে পরিবর্তনের পথ তৈরি করে। ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর জন্ম নেওয়া দাতা-সন্তানেরা প্রাপ্তবয়স্ক হলে তাঁদের জৈবিক দাতার পরিচয় জানার অধিকার পেয়েছেন।
"প্রত্যেক মানুষের নিজের শিকড় এবং নিজের ইতিহাস জানার অধিকার আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আর্থার কেরমালভেজেন, অড্রে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ আগস্ট, ৩ হাজার ইউরো, ৯০০ ইউরো, ১০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!