📌 নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা সম্পর্কে ফ্রান্সের দাবি প্রত্যাখ্যান করে ফ্রান্স। নিগারের সরকারি মুখপাত্র সোমানা বুবাকার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রনের নেতৃত্বাধীন একটি জালিয়াতি নেটওয়ার্কের দায় দিয়েছেন। ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোত দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ফ্রান্স কোনো ভূমিকা রাখেনি
ফ্রান্স নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা সম্পর্কে তাদের দাবি মিথ্যা কল্পনা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টায় ফ্রান্সের ভূমিকা নিয়ে নিগারের সরকারি মুখপাত্র সোমানা বুবাকার দাবি তুলে ধরেন। ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোত এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টায় ফ্রান্সের ভূমিকা নিয়ে নিগারের সরকারি মুখপাত্র সোমানা বুবাকার দাবি করেছেন যে, এই অভ্যুত্থান চেষ্টা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমমানুয়েল ম্যাক্রনের নেতৃত্বাধীন একটি জালিয়াতি নেটওয়ার্কের দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল।
- 📌 ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোত এই দাবিকে "মিথ্যা কল্পনা" বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, ফ্রান্স কোনো ভূমিকা রাখেনি বা কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
- 📌 নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টায় অংশগ্রহণকারী সৈন্যরা নাইমে শহরের একটি সামরিক বিমানবন্দর এবং রাষ্ট্রপতি ভবন আক্রমণ করেছিল। এই ঘটনায় নিগারের সামরিক বাহিনী এবং রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পসের সহায়তায় অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়।
- 📌 নিগারের সরকারি মুখপাত্র সোমানা বুবাকার বলেছেন, "এই অভ্যুত্থান চেষ্টা একটি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, যা ফ্রান্সের এমমানুয়েল ম্যাক্রনের নেতৃত্বাধীন একটি বিশাল জালিয়াতি নেটওয়ার্ক দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল।"
- 📌 নিগারের সরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত একটি ভিডিওতে একটি বিমান বাহিনীর অধিনায়ক বলেছেন, বেনিন, চাদ, কোত দিভোয়ার এবং ইকোওয়াস এই অভ্যুত্থান চেষ্টায় সহায়তা করেছিল। তবে বেনিন সরকার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
📰 বিস্তারিত
নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা সম্পর্কে ফ্রান্সের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টা ২৯ আগস্ট নাইমে শহরের একটি সামরিক বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়েছিল। সৈন্যরা তাদের কমান্ডারদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে গুলি চালায়। এই ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ভবন আক্রমণ করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে। নিগারের সামরিক বাহিনী এবং রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পসের সহায়তায় অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয় এবং তারা বিমানবন্দর পুনরুদ্ধার করে।
নিগারের সরকারি মুখপাত্র সোমানা বুবাকার এই অভ্যুত্থান চেষ্টায় ফ্রান্সের ভূমিকা নিয়ে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, "বিশ্বাসঘাতক এবং বিদ্রোহী উপাদানদেরকে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফ্রান্সের এমমানুয়েল ম্যাক্রন এবং তার সহযোগীদের অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণের জন্য এই অভ্যুত্থান চেষ্টা করা হয়েছিল।" তিনি আরও বলেছেন, "এই ধরনের জালিয়াতির চেষ্টা সবসময়ই ব্যর্থ হবে।"
ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোত এই দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি রেডিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনাল (আরএফআই) কে বলেছেন, "ফ্রান্সের কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং কোনো উপায় ছিল না যে ফ্রান্স এই অভ্যুত্থান চেষ্টায় অংশগ্রহণ করবে।"
নিগারের সামরিক অভ্যুত্থান চেষ্টার পর থেকে ফ্রান্স ও নিগারের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে পড়েছে। ২০২৩ সালে জেনারেল আবদুরাহমান তচিয়ানির নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে নিগার রাশিয়ার সাথে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে এবং ফ্রান্সকে তাদের প্রাক্তন উপনিবেশীয় শক্তি হিসেবে দেখে না। এই ঘটনায় নিগারের সরকার রাশিয়ার আফ্রিকা কর্পসের সহায়তা পেয়েছে।
"এই অভ্যুত্থান চেষ্টা একটি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, যা ফ্রান্সের এমমানুয়েল ম্যাক্রনের নেতৃত্বাধীন একটি বিশাল জালিয়াতি নেটওয়ার্ক দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাইমে, নিগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোমানা বুবাকার, জঁ-নোয়েল বারোত, জেনারেল আবদুরাহমান তচিয়ানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ আগস্ট (অভ্যুত্থান চেষ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!