📌 এফবিআইয়ের দুই সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হান্টার বাইডেন মামলায় জাল সাক্ষ্য দেবার অভিযোগে মামলা প্রত্যাহার করে ফেডারেল বিচারক। বিচারক জোরালোভাবে মামলাটিকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ফল বলে উল্লেখ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল বিচারক মঙ্গলবার হান্টার বাইডেন মামলায় জড়িত দুই সাবেক এফবিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করেছেন। বিচারক জিয়া ফারুকি বলেছেন, জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের তদন্তে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না এবং তদন্তটি ত্বরান্বিত, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত এবং ‘গুরুতর ত্রুটিপূর্ণ’। তিনি মামলাটিকে ‘অস্ত্রায়ন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং মিডটার্ম নির্বাচনের নিকটবর্তী সময়ে বিচারিক নিরপেক্ষতা রক্ষার আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মামলা প্রত্যাহার: ফেডারেল বিচারক জিয়া ফারুকি হান্টার বাইডেন মামলায় জড়িত দুই সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা (নিক্কি ফ্লোরিস ও ব্র্যাডলি বেনাভিডেস) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করেন।
- 📌 রাজনৈতিক প্রভাব: বিচারক মামলাটিকে ‘অস্ত্রায়ন’ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং বলেন, “এটিকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত তদন্তের অন্য কোনো নাম দিতে পারা যায় না”।
- 📌 বিচারিক ত্রুটি: বিচারক জানান, জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের তদন্তে ‘গুরুতর ত্রুটি’ ছিল এবং মামলাটি ত্বরান্বিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল।
- 📌 মিডটার্ম নির্বাচনের নিকটবর্তী: বিচারক বলেন, “আমি কালেন্ডার পড়তে অস্বীকার করতে পারব না। আমি নিজেকে এমনভাবে লোবোটমাইজড করতে পারব না”।
- 📌 গ্র্যান্ড জুরি সম্ভাবনা: জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট এখনও গ্র্যান্ড জুরির মাধ্যমে এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুযোগ রাখে।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার বিচারক জিয়া ফারুকি মামলাটি প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে বলেন, জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের তদন্তে যথেষ্ট প্রমাণ ছিল না। বিচারক জানান, ২০২৩ সালে কংগ্রেসের সামনে জাল সাক্ষ্য দেবার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, নিক্কি ফ্লোরিস ও ব্র্যাডলি বেনাভিডেস ২০১৯ সালে ডেলাওয়ারের একটি টেক শপে হান্টার বাইডেনের একটি ল্যাপটপ জমা দেওয়ার বিষয়ে তাদের জ্ঞান ও জড়িত থাকার বিষয়ে কংগ্রেসকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।
এফবিআইয়ের এক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে, এই তদন্ত শুরু হয়েছিল জুলাই ২০২৫ সালে এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের নির্দেশে। এপ্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মামলাটি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার অনুসারীদের দাবির সাথে মিলে যায় যে, ২০২০ সালের নির্বাচনে বাইডেন পরিবারের বিরুদ্ধে ক্ষতিকর তথ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
বিচারক ফারুকি মামলা দায়েরের সময় জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের আইনি প্রক্রিয়ায় অপব্যবহার করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট একটি নতুন অভিযোগ যুক্ত করে মামলা সংশোধন করে ফেলেছিল, কিন্তু তা বিচারকের অনুমোদন ছাড়াই। তিনি বলেন, তিনি এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো দেখেননি।
"এটিকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত তদন্তের অন্য কোনো নাম দিতে পারা যায় না। এটি ‘অস্ত্রায়ন’ ছাড়া আর কিছুই নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ফেডারেল আদালত)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তিবর্গ: বিচারক জিয়া ফারুকি, নিক্কি ফ্লোরিস, ব্র্যাডলি বেনাভিডেস, কাশ প্যাটেল, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জো বাইডেন, হান্টার বাইডেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা), ৩ (মিডটার্ম নির্বাচনের দিন থেকে অবশিষ্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!