📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইউরোপের ডানপন্থী সরকারগুলোর আফগান শরণার্থী প্রত্যাবাসন নীতিতে বিপন্ন ভবিষ্যৎ শত শত পরিবার

ইউরোপের ডানপন্থী সরকারগুলোর আফগান শরণার্থী প্রত্যাবাসন নীতিতে বিপন্ন ভবিষ্যৎ শত শত পরিবার

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে আসা চার হাজার ৫০০ কর্মী ও তাদের পরিবারকে ইউরোপ পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ডানপন্থী সরকারগুলোর কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে আফগান শরণার্থীরা প্রত্যাবাসনের মুখোমুখি হচ্ছেন

নেদারল্যান্ডসের স্টেনওয়াইক শহরে বসবাসরত আফগান শরণার্থী আবদুল ওয়ালি ২০২৩ সালে ডাচ সরকার থেকে একটি বিশেষ মুদ্রা ও সনদ পেয়েছিলেন। তার কাছে ওই স্মারক দুটি আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে আসার সময় সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান কাবুল দখলের পর প্রায় চার হাজার ৫০০ আফগান কর্মী ও তাদের পরিবারকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও নেদারল্যান্ডস সরকার নিরাপত্তার জন্য সরিয়ে নিয়েছিল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আবদুল ওয়ালি ও তার পরিবার ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে নেদারল্যান্ডসে আসেন, যেখানে তিনি ডাচ এনজিও কর্ডেইডের হয়ে কাজ করতেন।
  • 📌 তালেবান ক্ষমতা দখলের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও নেদারল্যান্ডস সরকার আফগান কর্মীদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
  • 📌 ইউরোপের ডানপন্থী সরকারগুলো আফগান শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য তালেবানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে।
  • 📌 জার্মানি ইতোমধ্যে আফগানিস্তানে শরণার্থী প্রত্যাবাসন শুরু করেছে, যেখানে প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তিকে পাঠানো হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আবদুল ওয়ালি ও তার পরিবার নেদারল্যান্ডসে আসার পর স্থানীয়দের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং ভাষা শিখতে শুরু করেন। তার তিন কন্যা স্থানীয় স্কুলে ভর্তি হন এবং তিনি একটি কারখানায় কাজ পান। গত জুন মাসে তারা ডাচ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন, কিন্তু সরকার হঠাৎ আইন পরিবর্তন করে তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি প্রত্যাহার করে নেয়। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

আবদুল ওয়ালি আল জাজিরাকে বলেন, "আমরা ও অন্যান্য পরিবারগুলো এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। আমরা উদ্বিগ্ন এবং অসুরক্ষিত বোধ করছি।" তিনি মনে করেন, তালেবানের হুমকির কারণে আফগান কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইউরোপীয় সরকারগুলোর দায়িত্ব।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে প্রায় পাঁচ লাখ আফগান ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি না দিলেও গত ২৩ জুন ব্রাসেলসে ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা তালেবান প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আফগান শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন।

"আমরা তালেবানের লক্ষ্যবস্তু। তারা আমাদের চেনে।"
"আমরা ও অন্যান্য পরিবারগুলো এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি। আমরা উদ্বিগ্ন এবং অসুরক্ষিত বোধ করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: স্টেনওয়াইক, নেদারল্যান্ডস; আফগানিস্তান; জার্মানি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল ওয়ালি, সিজ রুলস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার হাজার ৫০০ আফগান কর্মী ও পরিবার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖