📌 ইথিওপিয়ার উত্তরে টেলিকম নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং সশস্ত্র জোটের আক্রমণে যোগাযোগ বন্ধের ভয় দেখা দিয়েছে। টিপিএলএফ নেতৃত্বাধীন সাতটি দলের জোট সরকারের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এরিট্রিয়া সরকারের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতার দাবি উঠেছে।
ইথিওপিয়ার উত্তরে টেলিকম নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়াবহ পরিণতি দেখা দিচ্ছে। শনিবার থেকে টিগ্রে অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, যা ২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধের সময়ের মতোই সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে। টেলিকম ব্ল্যাকআউটের ফলে টিগ্রে অঞ্চলকে বাইরের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছে, যা আগের মতোই খাদ্য ও সরবরাহের ব্ল্যাকমার্কেট সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টিগ্রে অঞ্চলে টেলিকম ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, যা ২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধের সময়ের মতোই সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে।
- 📌 টিপিএলএফ (টিগ্রে লিবারেশন ফ্রন্ট) সরকারি ও বেসরকারী টেলিকম কোম্পানিকে নির্দেশ দিয়েছে টিগ্রে অঞ্চলে যোগাযোগ বন্ধ রাখার জন্য।
- 📌 সাতটি সশস্ত্র জোটের নেতৃত্বে ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্স অ্যালায়েন্স ফর সার্ভাইভাল (ইপিএফএএস) প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদের সরকারকে বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
- 📌 টিগ্রে সেনাবাহিনী দাবি করেছে, সরকার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ চালাচ্ছে, যার মধ্যে পদাতিক, যান্ত্রিক ইউনিট এবং ড্রোন অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র এই মাসে ইথিওপিয়া ও এরিট্রিয়ায় গৃহযুদ্ধের সময়ের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সנקশন তুলে নিয়েছে, বলেছে "জাতীয় অপরাধের জরুরি অবস্থা শেষ হয়েছে"।
📰 বিস্তারিত
ইথিওপিয়ার উত্তরে টিগ্রে অঞ্চলে সংঘাতের কারণে টেলিকম নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় দেখা দিয়েছে। নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, টিগ্রে অঞ্চলে টেলিকম ব্ল্যাকআউটের কারণে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, টিগ্রে অঞ্চলের শাসক দল টিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) সরকারি ও বেসরকারী টেলিকম কোম্পানিকে নির্দেশ দিয়েছে টিগ্রে অঞ্চলে যোগাযোগ বন্ধ রাখার জন্য।
সাতটি সশস্ত্র জোটের নেতৃত্বে ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্স অ্যালায়েন্স ফর সার্ভাইভাল (ইপিএফএএস) গঠিত হয়েছে, যারা প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদের সরকারকে বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। টিগ্রে সেনাবাহিনী দাবি করেছে, সরকার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ চালাচ্ছে, যার মধ্যে পদাতিক, যান্ত্রিক ইউনিট এবং ড্রোন অন্তর্ভুক্ত। তারা বলেছে, তাদের সেনাবাহিনী প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ শুরু করেছে। এই সংঘাতের ফলে টিগ্রে সেনাবাহিনী তিনটি বিমানবন্দর দখল করেছে এবং আফার ও আমহারা অঞ্চলে সরকারি সেনাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে।
ইথিওপিয়ার সরকার দাবি করেছে, এরিট্রিয়া টিপিএলএফ এবং তাদের জোটকে অর্থনৈতিকভাবে সমর্থন করছে, যা আসমারা সরকার নাকচ করেছে। টিপিএলএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদিসালাম বালেমা আল জাজেরার সাথে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, এই সংঘাতটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।
২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধের সময় টিগ্রে অঞ্চলকে বাইরের বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য খাদ্য সংকট সৃষ্টি করেছিল। এবারও টেলিকম ব্ল্যাকআউটের কারণে টিগ্রে অঞ্চলের মানুষ সরবরাহের জন্য ভীতিসংকুল হয়ে পড়েছে।
"ইন্টারনেট ডিসরাপশন ইন নর্থার্ন ইথিওপিয়া করেস্পন্ডিং টু রিপোর্টস অফ টেলিকমস ব্ল্যাকআউট ইন টিগ্রে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টিগ্রে, আফার, আমহারা অঞ্চল, ইথিওপিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী আবিয় আহমেদ, আবদিসালাম বালেমা (টিপিএলএফ), টিগ্রে সেনাবাহিনী, ইথিওপিয়ান পিপলস ফোর্স অ্যালায়েন্স ফর সার্ভাইভাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭২ টিগ্রে সেনা নিহত, ৬০০,০০০ (২০২০-২০২২ সালের গৃহযুদ্ধে মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!