📌 ইরিত্রিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ‘অধিকৃত পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে। ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়ার ‘সমগ্র আক্রমণ’ এবং টিগ্রে অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশের দাবি তোলার পর ইরিত্রিয়া ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে দেখছে। উভয় দেশই আন্তর্জাতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের কাছে পত্র পাঠিয়েছে
ইরিত্রিয়া জাতিসংঘকে ‘অধিকৃত পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানা গেছে। ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়ার ‘সমগ্র আক্রমণ’ এবং টিগ্রে অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশের দাবি তোলার পর ইরিত্রিয়া ইথিওপিয়ার ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে দেখছে। ইরিত্রিয়ার এই দাবি আসে যখন ইথিওপিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে একটি পত্র পাঠিয়ে ইরিত্রিয়ার ‘অবিচারিত আক্রমণ’ এবং টিগ্রে অঞ্চলে প্রবেশের দাবি তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরিত্রিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ‘অধিকৃত পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যার মধ্যে সנקশন থেকে শুরু করে সামরিক পদক্ষেপ পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
- 📌 ইথিওপিয়া ইরিত্রিয়ার ‘সমগ্র আক্রমণ’ এবং টিগ্রে অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে প্রবেশের দাবি তোলার পর ইরিত্রিয়া ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে দেখছে।
- 📌 ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারের বিরুদ্ধে টিগ্রে অঞ্চলে বিদ্রোহী দলের আক্রমণে ইরিত্রিয়া সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
- 📌 ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী এই সপ্তাহে টিগ্রে অঞ্চলের রাজধানী মেকেলে দখল করে নেয় এবং ইরিত্রীয় সেনাদের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালায়।
- 📌 ইরিত্রিয়ার বিদেশমন্ত্রী ওসমান সেলেহ ইথিওপিয়ার দাবি ‘যুদ্ধের বিচারযোগ্য কারণ’ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা বলে অভিযোগ করেছেন।
- 📌 হর্ন অফ আফ্রিকা বিশেষজ্ঞ ফাইসাল রবলে মন্তন করেছেন, উভয় দেশই ‘অতিমার্গে সংঘাতের’ প্রস্তুতি নিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
ইরিত্রিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে একটি পত্র পাঠিয়ে ইথিওপিয়ার ‘যুদ্ধ ঘোষণা’কে ‘অবিচারিত’ বলে অভিহিত করেছে। ইরিত্রিয়ার বিদেশমন্ত্রী ওসমান সেলেহের পত্রে বলা হয়েছে, ইথিওপিয়ার এই পদক্ষেপ ‘দু’দেশের জনগণের জন্য ভয়াবহ ধ্বংসসাধন’ এবং ‘সমগ্র অঞ্চলকে অস্থির’ করবে। ইরিত্রিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ইথিওপিয়ার ‘অবিচারিত যুদ্ধ ঘোষণা’কে নিন্দা জানিয়ে ‘অধিকৃত পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারের বিরুদ্ধে টিগ্রে অঞ্চলে বিদ্রোহী দলের আক্রমণে ইরিত্রিয়া সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। ইথিওপিয়ার বিদেশমন্ত্রী গেডিয়ন তিমোটিউস ইরিত্রিয়ার ‘অবিচারিত আক্রমণ’কে ইথিওপিয়ার ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা অধিকার’ হিসেবে দেখেছেন। তবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেননি যে ইথিওপিয়া কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না।
হর্ন অফ আফ্রিকা বিশেষজ্ঞ ফাইসাল রবলে মন্তন করেছেন, উভয় দেশই ‘অতিমার্গে সংঘাতের’ প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘ইউনাইটেড নেশনসের কাছে যে পত্র পাঠানো হয়েছে, তা শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক সমর্থন নিশ্চিত করার জন্য।’ ইরিত্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমানে গেব্রেমেস্কেল ইথিওপিয়ার ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণের দাবি ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি ইথিওপিয়ার ইরিত্রিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণ করার দাবি ‘স্বাধীনতা’ হিসেবে দেখছেন।
ইরিত্রিয়া ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়ায় থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত উভয় দেশের মধ্যে একটি রক্তপাতময় সীমান্ত যুদ্ধ হয়েছিল। আবি আহমেদের শাসনামলে ২০১৮ সালে উভয় দেশের সম্পর্ক উন্নতির দিকে অগ্রসর হয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তা খারাপ হয়ে পড়েছে। ইথিওপিয়া, যা একটি অভ্যন্তরীণ দেশ, বারবার ইরিত্রিয়ার সাথে সীমান্তের বাইরে রেড সী থেকে সরাসরি সমুদ্র অ্যাক্সেসের দাবি তুলেছে, যা ইরিত্রিয়া ‘আক্রমণ’ হিসেবে দেখছে।
"ইরিত্রিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ইথিওপিয়ার ‘অবিচারিত যুদ্ধ ঘোষণা’কে নিন্দা জানিয়ে ‘অধিকৃত পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টিগ্রে অঞ্চল, ইথিওপিয়া; ইরিত্রিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইরিত্রিয়ার বিদেশমন্ত্রী ওসমান সেলেহ, ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ, হর্ন অফ আফ্রিকা বিশেষজ্ঞ ফাইসাল রবলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ কিলোমিটার (ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরে ইরিত্রীয় সেনাদের প্রবেশ), ৩৭ মাইল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!