📅 ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে এল নিনো, বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে এল নিনো, বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে যাচ্ছে এল নিনো। প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণ স্রোত বৃদ্ধির ফলে দক্ষিণ আমেরিকার উপকূল থেকে অ্যানচোভিস মাছের অন্তর্ধান শুরু হয়েছে। জাতিসংঘসহ বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এবারের এল নিনো পূর্ববর্তী যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী হতে পারে, যা বিশ্বজুড়ে খরা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে

প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূল থেকে অ্যানচোভিস মাছের অপ্রত্যাশিত অন্তর্ধান এল নিনোর ভয়াবহ প্রভাবের পূর্বাভাস দিচ্ছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরু ও চিলির জেলেরা প্রতি বছর যে মাছ ধরার মৌসুমের অপেক্ষায় থাকেন, সেটি এবার অনুপস্থিত। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্রশান্ত মহাসাগরে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত বাণিজ্য বায়ুর দুর্বলতার কারণে উষ্ণ স্রোত পূর্ব দিকে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ঠান্ডা ও পুষ্টিসমৃদ্ধ জলের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে। ফলে অ্যানচোভিস মাছের বিচরণক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। স্থানীয় জেলেরা এই ঘটনাকে 'এল নিনো দে নাভিদাদ' (দ্য ক্রিসমাস চাইল্ড) নামে অভিহিত করেন, কারণ উষ্ণ স্রোতগুলো সাধারণত খ্রিস্টমাসের সময় উপকূলে পৌঁছায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রশান্ত মহাসাগরে উষ্ণ স্রোত বৃদ্ধির কারণে দক্ষিণ আমেরিকার উপকূল থেকে অ্যানচোভিস মাছের অন্তর্ধান শুরু হয়েছে
  • 📌 এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের স্বাভাবিক আবহাওয়া চক্র হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এটি এবার 'সুপার এল নিনো' হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে
  • 📌 জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এল নিনোকে 'উষ্ণ বিশ্বের আগুনে জ্বালানি ঢেলে দেওয়ার' সাথে তুলনা করেছেন
  • 📌 যুক্তরাজ্যের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের এল নিনোতে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে
  • 📌 বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এবারের এল নিনো পূর্ববর্তী যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী হতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে খরা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে

📰 বিস্তারিত

এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের একটি স্বাভাবিক আবহাওয়া চক্র, যা প্রতি কয়েক বছর অন্তর সংঘটিত হয়। সাধারণত পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত বাণিজ্য বায়ুর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব উপকূলের ঠান্ডা ও পুষ্টিসমৃদ্ধ জল পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। তবে কখনো কখনো এই বায়ু দুর্বল হয়ে পড়ে বা বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়, যার ফলে উষ্ণ স্রোত পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে উপকূলের ঠান্ডা জলের স্থলাভিষিক্ত হয়। এই ঘটনাটিই এল নিনো নামে পরিচিত। স্থানীয় জেলেরা এই ঘটনাকে 'এল নিনো দে নাভিদাদ' নামে অভিহিত করেন, কারণ উষ্ণ স্রোতগুলো সাধারণত খ্রিস্টমাসের সময় উপকূলে পৌঁছায়।

এবারের এল নিনো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বিশ্বব্যাপী উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাজ্যের মেট অফিসের প্রধান দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ অ্যাডাম স্কাইফ বলেন, "এই ঘটনা অভূতপূর্ব। আমাদের পূর্বাভাসে এর আগে কখনো এত তীব্র এল নিনোর সংকেত দেখা যায়নি। যদি পূর্বাভাস সঠিক হয়, তাহলে এটি আমাদের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব অনেক বেশি হবে।"

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এল নিনোকে 'উষ्ण বিশ্বের আগুনে জ্বালানি ঢেলে দেওয়ার' সাথে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, এল নিনো নিজেই বিধ্বংসী জলবায়ু চরম ঘটনা নিয়ে আসতে পারে, কিন্তু এটি এখন আরও উষ্ণ গ্রহে ঘটছে, যা তাপদাহ, খরা, বন্যা ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।

"এটি একটি সুপার এল নিনো। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনো আরও তীব্র হয়ে উঠছে, যা মানুষ ও প্রকৃতির উপর চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। এল নিনো নিজেই বিধ্বংসী জলবায়ু চরম ঘটনা নিয়ে আসতে পারে, কিন্তু এটি এখন আরও উষ্ণ গ্রহে ঘটছে, যা তাপদাহ, খরা, বন্যা ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলছে।"
"আমাদের পরিষ্কার হওয়া উচিত, এটি একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। আমাদের পূর্বাভাসে এর আগে কখনো এত তীব্র এল নিনোর সংকেত দেখা যায়নি। যদি পূর্বাভাস সঠিক হয়, তাহলে এটি আমাদের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব অনেক বেশি হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ আমেরিকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডাম স্কাইফ (মেট অফিস), আন্তোনিও গুতেরেস (জাতিসংঘ মহাসচিব), স্টেফানি রো (ডব্লিউডব্লিউএফ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (তাপমাত্রা বৃদ্ধি), ২৭টি এল নিনো ঘটনা (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖